প্রাইমারি টেট স্পেশাল

🤹 প্রাইমারি টেট স্পেশাল 🤹

১.ফিলমোরের কোন কারকের সঙ্গে আমাদের কর্ম কারকের মিল রয়েছে—
ক. Objective✅
খ. Dative
গ. Factitive
ঘ. Locative.

২.কারক ব্যাকরণের সূত্রপাত করেন—
ক. চমস্কি
খ. ব্লুমফ্লিড
গ. ফিলমোর✅
ঘ. সোস্যুর

৩. মা শিশুকে দুধ খাওয়াচ্ছেন ৷ “দুধ” পদটি —
ক. কর্তৃ কারক
খ. কর্ম কারক✅
গ. অভিঞ্জতা কারক
ঘ. লক্ষ্য কারক৷

৪.পাণিনীয় সংস্কৃত কারকের সঙ্গে বাংলা কারকের মিল খুঁজে পাননি কোন বাঙালী ব্যাকরণবিদ—
ক. পবিত্র সরকার
খ. হুমায়ূন আজাদ
গ. রামেশ্বর ‘শ
ঘ. প্রবাল দাশগুপ্ত৷✅

৫.নব্য কারকতত্ত্বে —————- অভিঞ্জতা কারক হিসেবে বিবেচ্য৷
ক. গৌণকর্ম✅
খ. মুখ্যকর্ম
গ. লক্ষ্যকর্ম
ঘ. সব গুলো৷

৬.বাংলা কারক বেশি প্রাধান্য পায়—
ক. অর্থনির্ভর✅
খ. বিভক্তিনির্ভর
গ. রৌপনির্ভর
ঘ. কোনটিই নয়৷

৭.আধুনিক ভাষাবিঞ্জানীরা বাংলায় শব্দের রূপ বা বিভক্তি বিচারে কারক নির্দেশ করার পক্ষে,তারা “সম্বন্ধকে” কারকের অন্তর্ভুক্ত করেছেন৷কিন্তু প্রায় কেউই “সম্বোধনকে”কারকের অর্ন্তভুক্ত করেননি৷তবে বিখ্যাত বাঙ্গালী ভাষাবিদ তাঁর ব্যাকরণে সেই কাজটি করেছেন৷সেই ভাষাপন্ডিতের নাম হলো—
ক. সুনীতিকুমার
খ. রামেশ্বর’শ
ঘ. সুকুমার সেন
ঙ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ৷✅

৮.আপাদান কারক—
ক. বিভক্তিনির্ভর
খ. অর্থনির্ভর✅
গ. দুটোই
ঘ. কোনটিই নয়৷

৯.সম্প্রদান কারকের সমস্যা সমাধানকল্পে তিনি প্রথমেই পাণিনির দেওয়া বক্তব্য তুলে ধরে দুটি সংস্কৃত বাক্যের উদাহরণ দেন৷যেমন—#রজকস্য দেহি বস্ত্রং#(ধোপাকে কাপড় দাও),#দরিদ্রায় অন্নং দেহি#(গরীবকে খাবার দাও)|প্রসঙ্গত উদাহরণে প্রপাতের তফাত খুঁজে পেলে ও কারকের তফাত খুঁজে পাননি৷সেই বিখ্যাত ভাষা গবেষক হলেন—
ক. হুমায়ূন আজাদ
খ. পবিত্র সরকার
গ. সুকুমার সেন
ঘ. পুন্যশ্লোক রায়
ঙ. প্রবাল দাশগুপ্ত৷ ✅

১১.Language is the dress of thought”—
ক. জন ডাইড্রেন✅
খ. ব্লুমফিল্ড
গ. চমস্কি
ঘ. ফিলমোর

১২. “সম্প্রদান কারক সম্পর্কিত পাণিনির তথ্যকে বাংলা ব্যাকরণের ঐতিহ্যে সকলেই বুঝতে ভুল করেছেন৷” যথার্থ মন্তব্যটি করেছেন—
ক. পবিত্র সরকার
খ. হুমায়ূন আজাদ
গ. প্রবাল দাশগুপ্ত✅
ঘ. পুন্যশ্লোক রায়৷

১৩.নব্য কারকতত্ত্বে —————- অভিঞ্জতা কারক হিসেবে বিবেচ্য৷
ক. গৌণকর্ম✅
খ. মুখ্যকর্ম
গ. লক্ষ্যকর্ম
ঘ. সব গুলো৷

১৪. “আদার ব্যাপারীর ভাষার খবর” প্রবন্ধটির লেখক—
ক. উদয় নারায়ণ সিংহ
খ. প্রবাল দাশগুপ্ত
গ. গোপাল হালদার✅
ঘ. সুকুমার সেন৷

১৫. বাংলা ভাষার প্রথম খন্ডিত ব্যাকরণ—
ক. “A Grammer of the Bengal Language”
খ.”বাঙ্গালা ব্যাকরণ”
গ.”Breve Compendio da Grammatica Bengala”✅
ঘ.”গৌড়ীয় ব্যাকরণ”৷

১৬. “কারক : দুঃস্বপ্নের আসান৷” প্রবন্ধটির সম্পাদনা করেছেন—
ক. প্রবাল দাশগুপ্ত
খ. পবিত্র সরকার
গ. যোগেশচন্দ্র রায়
ঘ. শিবনারায়ণ রায়৷✅

১৭. বাংলা ভাষার প্রথম অখন্ডিত ব্যাকরণ হলো—
ক.” A Grammar of the Bengal Language”✅
খ. “A Grammer of the Bengalee Language”
গ.”A Grammer in English and Bengali Language”
ঘ.”Introduction to Bengali Grammar.”

১৮. “বঙ্গভাষা বনাম বাবু-বাংলা ওরফে সাধুভাষা৷” প্রবন্ধটির লেখক হলেন—
ক. বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
গ. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
ঘ. প্রমথ চৌধুরী৷✅

১৯. “Case” ত্রর বাংলা প্রতিশব্দ” পরিণমন” গৃহীত হয়েছে কোন গ্রন্থে—
ক. ” ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ”
খ. “বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ”
গ. “ভাষার ইতিবৃত্ত”
ঘ. “গৌড়ীয় ব্যাকরণ৷”✅

২০. উপভাষার সঙ্গে ভাষার (মান্য ভাষা) পার্থক্য হতে হবে—
ক. মিলন
খ. পারস্পরিক বোধগম্যতা✅
গ. উভয় সাদৃশ
ঘ. কোনটি নয়৷

২১.”বাংলায় মাত্র দুটি বাচ্য আছে কর্তৃবাচ্য আর ভাববাচ্য৷”সুপ্রসিদ্ধ উক্তিটি করেছেন—
ক. পবিত্র সরকার
খ. বামনদেব চক্রবর্তী
গ. কালীপদ চৌধুরী
ঘ. মণীন্দ্র কুমার ঘোষ৷✅

২২.ক্রিয়া হলো বাক্যের—
ক. মুকুট
খ. চূড়া
গ. গয়না
ঘ. প্রাণ৷✅

২৩.ধ্বনি পরিবর্তন করোঃ
গ্লাস>গেলাশ
ক. ব্যঞ্জনাগম
খ. স্বরাগম
গ. বিপ্রকর্ষ✅
ঘ. ব্যঞ্জনলোপ৷

২৪.’প্রণব’ কথাটি আধুনিক ভাষাবিঞ্জানে ব্যবহার হয়—
ক. ধ্বনিতত্ত্বে✅
খ. রূপতত্ত্বে
গ. বাক্যতত্ত্বে
ঘ. শব্দার্থতত্ত্বে৷

২৫.বাংলা ব্যাকরণে বর্তমানে “ধ্বনিগুণ ” কথাটি ব্যবহার করা হয়৷কথাটি প্রথম নিয়ে আসেন—
ক. ডঃসুকুমার সেন
খ. ডঃমুহম্মদ আবদুল হাই✅
গ. ডঃসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ঘ. সুভাষ ভট্টাচার্য৷

২৬.শৈলীবিঞ্জান বিষয়ক উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধটি হলো “গদ্যরীতি পদ্যরীতি”৷প্রবন্ধটির লেখক—
ক. অভিজিৎ মজুমদার
খ. উদয় কুমার চক্রবর্তী
গ. অপূর্ব রায়
ঘ. পবিত্র সরকার৷✅

২৭.সমাস নির্ণয় করোঃ ঘরজামাই
ক. কর্মধারয় সমাস✅
খ. বহুব্রিহী সমাস
গ. দ্বন্দ্ব সমাস
ঘ. তৎপুরুষ সমাস৷

২৮.আণবিক মডেলের(রূপতত্ত্বে) প্রবক্তা হলেন—
ক. যাক্স
খ. পাণিনি✅
গ. ব্লুমফ্লিড
ঘ. চমস্কি৷

২৯.”Pronominalization in Bengali “গ্রন্থটির লেখক হলেন—
ক. প্রবাল দাশগুপ্ত
খ. রফিকুল ইসলাম
গ. হুমায়ূন আজাদ✅
ঘ. পবিত্র সরকার৷

৩০.ফ্রানজ বোয়াস নামটি—
ক. রূপান্তরমূলক ব্যাকরণের সঙ্গে জড়িত
খ. গঠনমূলক ব্যাকরণের সঙ্গে জড়িত✅
গ. ঐতিহাসিক ব্যাকরণের সঙ্গে জড়িত
ঘ. অভিধান তত্ত্ব ব্যাকরণের সঙ্গে জড়িত৷

৩১. পাণিনির কাজে যে শব্দটি ইন্দো-গ্রিক সভ্যতার সংযোগসূত্র হিসাবে ধরা হয় সেটি হলো—
ক. যতি
খ. যবনানি✅
গ. মহাভাষ্য
ঘ. ধাতুপদ৷

৩২. পতঞ্জলির মহাভাষ্য(মহাব্যাখ্যামূলক রচনা) হল,পাণিনির———— ওপর আলোচনা মূলক রচনা৷
ক. বাক্যপাধ্যীয়
খ. অষ্টাধ্যায়ী✅
গ. স্ফোট
ঘ. সব গুলো ঠিক৷

৩৩. চমস্কির ” Finite State Grammar”কে বাংলায় তরজমা করা যায়—
ক. রূপান্তরশীল ব্যাকরণ
খ. বাক্যাংশিক গঠনভিত্তি ব্যাকরণ
গ. সীমায়িত পর্যায় ক্রমিক ব্যাকরণ✅
ঘ. কোনটিই নয়

৩৪.ভারতীয় উপমহাদেশে প্রধানত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ভাষার ওপর ভিত্তি করে পাণিনি যে ব্যাকরণ রচনা করেন একে—
ক. আদি ইন্দো-ইওরোপীয় সংস্কৃত ভাষা✅
খ. ইন্দো- ইওরোপীয় সংস্কৃত ভাষা
গ. নব্য- ইন্দো ইওরোপীয় সংস্কৃত ভাষা
ঘ. সব গুলো সঠিক৷

৩৫. “পশ্চিম-কামরূপের উপভাষা” বা”প্রান্ত-উত্তরবঙ্গের উপভাষা” বলতে বোঝায়—
ক. বাঁকুড়াবাসীদের
খ. ঢাকাবাসীদের
গ. রাজবংশীদের✅
ঘ. মেদিনীপুরীদের৷

৩৬. ধ্বনিপরিবর্তন করোঃ অলাবু>লাউ
ক. আদি স্বরাগম
খ. আদি ব্যঞ্জনলোপ
গ. আদি স্বরলোপ✅
ঘ. স্বরভক্তি৷

৩৭. প্রত্যয় নির্ণয় করোঃ
“স্থান” শব্দটির প্রকৃতি- প্রত্যয়
ক. আ+অনট
খ. হা+অনট
গ. স্থা+অনট✅
ঘ. কোনটিই নয়৷

৩৮. সমাস করোঃ
হাফ যে পাঁজি=হাফপাঁজি
ক. তৎপুরুষ সমাস
খ. বহুব্রিহী সমাস
গ. কর্মধারয় সমাস✅
ঘ. দ্বন্দ্ব সমাস৷

৩৯. “বর্তমান” শব্দটির প্রকৃতি- প্রত্যয় নির্ণয় করোঃ
ক. বিদ+শানচ
খ. বহ+শানচ
গ. বপ+শানচ
ঘ. বৃৎ+শানচ৷✅

৪০. “Women’s Dialect in Bengali”—গ্রন্থটির লেখকঃ
ক. সুকুমার সেন✅
খ. গোপাল হালদার
গ. নীলমাধব সেন
ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়৷

৪১. “Parallel Consistant Operator Binding Theory”(P.C.O.B) তত্ত্ব ব্যবহার করা হয় কি বোঝানের জন্য-
ক .প্রমুখণ
খ. বিচ্যুতি
গ. সমান্তরালতা✅
ঘ. সময়মাত্রা৷

৪২. ইংরেজি ‘ স্টাইল’ কথাটির বাংলা প্রতিশব্দ “শৈলী” শব্দটি ব্যবহার করেছেন—
জ. অভিজিৎ মজুমদার
ক. উদয় কুমার চক্রবর্তী
গ. অপূর্ব রায়
ঘ. পবিত্র সরকার✅
ঙ. সুকুমার সেন৷

৪৩. “A step to Kamata Bihari language” গ্রন্থে ধর্মবাবুর দেওয়া হিসাব অনুসারে ‘কামতাপুরি’ তে কথা বলেন—
ক. ২কোটি ৩০ লক্ষ ষানুষ
খ. ১কোটি ২০ লক্ষ মানুষ✅
গ. ৫০ লক্ষ মানুষ
ঘ. ৩কোটি ১০লক্ষ মানুষ৷

৪৪. অধ্যাপক সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলা ভাষার কথ্য উপভাষাকে ভাগ করেছেন তাঁর কোন বইতে—
ক.” The Origin and Development of the Bengali Language”.✅
খ. ভাষা প্রকাশ ব্যাকরণ
গ. বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভুমিকা
ঘ. ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা৷

৪৫. স্বরসঙ্গতির বিপরীত ঘটনাকে বলা হয় —
ক. বিষমীভবন
খ. মধ্যস্বরাগম
গ. স্বর-অসঙ্গতি✅
ঘ. অপিনিহিতি৷

৪৬. ‘করোনাভাইরাস’ শব্দটি বিদেশী শব্দঃ বাংলা শব্দভান্ডারে তার স্থান পাওয়া উচিত —
ক. জাপানি শব্দ
খ. ল্যাটিন শব্দ✅
গ. চিনা শব্দ
ঘ. ইতালি শব্দ৷

৪৭. করোনা ভাইরাস>করুনা ভাইরাস—ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রীতি লক্ষ্য করা যায়ঃ
ক. সমীভবন
খ. অভিশ্রুতি
গ. অপিনিহিতি
ঘ. স্বরসঙ্গতি৷✅

৪৮. কলকাতার উচ্চারণে বা মান্য অপিনিহিতর দিন শেষ হয়ে গেছে – এখন সর্বত্রই নিষ্কন্টক রাজত্ব চলছে—
ক. ব্যঞ্জনাগম
খ. স্বরভক্তি
গ. সমীভবন
ঘ. স্বরসঙ্গতি
ঙ. অভিশ্রুতির৷✅

৪৯. একযোগে ‘diphthong’ অর্থাৎ সংযুক্ত-স্বর বা সন্ধ্যাক্ষর সৃষ্টি করে এমন একটি ধ্বনিপরিবর্তনের রীতির নাম হলো—
ক. সমীভবন
খ. স্বরসঙ্গতি
গ. স্বরভক্তি
ঘ. অভিশ্রুতি✅
৫.সমাক্ষরলোপ

৫০. “পূর্বাভাসাত্মক ধ্বনি বিপর্য্যয়”৷ ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রীতিতে এই কথাটি প্রযোজ্য—
ক. ধ্বনি বিপর্যাস
খ. অভিশ্রুতি
গ. স্বরভক্তি
ঘ. অপিনিহিতি৷✅

৫১. বাঙলায় অপিনিহিতি বলতে যা বুঝি তা একধরনের বিপর্যাস৷ মন্তব্যটি করেছেন—
ক. অভিজিৎ মজুমদার✅
খ. উদয়কুমার চক্রবর্তী
গ. তিস্তা বাগচী
ঘ. রামেশ্বর শ
ঙ. প্রবাল দাশগুপ্ত
৬.উদয় নারায়ন সিং

৫২. ভাষাতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে দেখা যায়,”সাঁওতাল” শব্দটি এসেছে—
ক. সামন্তরক্ষী
খ.সীমান্তরক্ষী
গ. সামন্তপাল✅
ঘ. কোনটিই নয়৷

৫৩. “দুই সোস্যুরের ভাষাচিন্তা”(The Two Saussures) গ্রন্থটির লেখক বাঙ্গালী চিন্তাবিদ৷ সেই চিন্তাবিদ ব্যক্তিটি কে—
ক. পবিত্র সরকার
খ. মনসুর মুসা✅
গ. মালিনী ভট্টাচার্য
ঘ. প্রবাল দাশগুপ্ত
ঙ. অভিজিৎ মজুমদার
চ. উদয়কুমার চক্রবর্তী৷

৫৪. চমস্কি “deep structure” কথাটির পরিবর্তে “initial phrase-marker” কথাটি ব্যবহার করেছেন৷কথাটির বাংলা পরিভাষাটি হলো—১.প্রারম্ভিক পদগুচ্ছ নির্দেশক
ক. পদগুচ্ছ সংগঠন✅
খ. সংগঠনের পদগুচ্ছ
গ. এক্সবার কাঠামো৷
ঘ. কোনটিই নয়

৫৫. কোন যতি বা বিরতি না দিয়ে অনায়াসে যে ধ্বনিগুচ্ছ উচ্চারণ করা যায় তাকে বলা হয়—
ক. শব্দ
খ. অক্ষর✅
গ. বর্ণ
ঘ. বাক্য
ঙ. পদ৷

৫৬. ভাষাতত্ত্বের ক্ষেত্রটাকে আর বিশেষ করে তার বাক্যতাত্ত্বিক শাখাকে উনি এক ধাক্বায় অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছেন৷উনি ব্যক্তিটি হলেন-
ক. ব্লুমফ্লিড
খ. স্যেস্যুর
গ. চমস্কি✅
ঘ. ড্যানিয়েল জোনস৷

৫৭. ব্যাকরণ হচ্ছে মানব মস্তিষ্কের একটা মডিউল৷উক্তিটির বক্তা—
ক. শিশির ভট্টাচার্য্য✅
খ. পবিত্র সরকার
গ. রফিকুল ইসলাম
ঘ. প্রবাল দাশগুপ্ত
ঙ. সুনীতিকুমার৷

৫৮. যদি দুটি শব্দের (দ্যোতিতের) উচ্চারণ এক হয় তবে সেই শব্দ দুটিকে বলা যেতে পারে—
ক. বহুনাম
খ. সমোচ্চারিত শব্দ✅
গ. সমলিপি শব্দ
ঘ. কোনটিই নয়৷

৫৯. প্রক্ষেপণ হলো বিশ্বব্যাকরণের অন্য একটি—
ক. নামপদ
খ. ক্রিয়াপদ
গ. স্বলক্ষণ পদ
ঘ. ধ্রুপদ৷✅

৬০. পরিমিত ব্যাকরণ প্রকল্প অনুসারে এক শব্দ অন্য এক শব্দের সাথে বা একটি বর্গ অন্য একটি বর্গের সাথে গিয়ে জোট বাঁধে বিশেষ যে একটি প্রক্রিয়ায় তার নাম Merge৷এর বাংলা প্রতিশব্দ হতে পারে—
ক. স্বলক্ষণ
খ. প্রক্ষেপণ
গ. সংবাহন✅
ঘ. সব কয়টি৷

৬১. বাক্যের দুটি স্তর রয়েছেঃধ্বনিতাত্ত্বিক স্তর আর নৈয়ায়িক স্তর৷এই দুটি স্তর যদি টায়ে টায়ে মিলে যায় তবেই বলা যাবে যে—
ক. বাক্যস্ফোটন
খ. বাক্যসাধন✅
গ. অভিবাসন
ঘ. প্রক্ষেপণ৷

৬২. পবিত্র সরকার “foregrounding” এর নামকরণ করেছেন—
ক.প্রক্ষেপণ
খ.প্রমুখণ
গ. সমান্তরালতা৷
ঘ. কোনটিই নয়✅

৬৩. কাব্যের ভাব-সূত্রবাহী পদকে বলে—
ক.ধ্রুবপদ✅
খ. ধ্রুমপদ
গ. নামপদ
ঘ. ক্রিয়াপদ৷

৬৪. বাংলা শব্দ ভান্ডারে শতকরা কত ভাগ তদ্ভব শব্দ আছে—
ক. ৫০%
খ. ৪৫%
গ. ৫৫%
ঘ. ৫১%✅

৬৫. বাংলা ভাষা ভান্ডারে শতকরা কত ভাগ তৎসম শব্দ আছে—
ক. ৫০%
খ. ৪৫%
গ. ৪৪%✅
ঘ. ৫১%

৬৬. “substantive modification to the theory of transformational grammar” কথাটি প্রযোজ্য—
ক. Government -Building Theory Grammar
খ. Sysmatic Functional Grammer
গ. Case Grammer.✅
ঘ) None

৬৭. স্যার জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন উল্লেখিত “Central Dialect “বা “Standard Dialect” এ কথা ব্যবহারকারী কোলকাতা জেলার জনগনের সংখ্যা হলো—
ক. 706,092
খ. 375,528✅
গ. 1,013,477
ঘ. 250,323.

৬৮. “অপিনিহিতি” শব্দটি ভাষাচার্য কোথা থেকে নিয়েছেন—
ক গ্রিক✅
খ. রোমান
গ. জার্মান৷
ঘ. ভারতবর্ষ

৬৯. “The Origin and Development of the Bengali Language” গ্রন্থে অপিনিহিতি আলোচনায় সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেছেন,’Epenthetic vowels generally are not preserved in the standard colloquial and in West Bengal,they have brought in other phonetic changes”.এই ‘other phonetic changes’ এর মধ্যে ধরা হয়—
ক. অপশ্রুতি
খ. স্বরসঙ্গতি
গ. অভিশ্রুতি✅
ঘ. বিপর্যাস৷

৭০. “পূর্ব পাকিস্তানী আঞ্চলিক ভাষার অভিধান”এর প্রধান সম্পাদক হলেন—
ক.সৈয়দ আলী আহসান
খ. মুনীর চৌধুরী
গ. রফিকুল ইসলাম
ঘ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ✅

৭১. “পূর্ব পাকিস্তানী আঞ্চলিক ভাষার অভিধান” গ্রন্থের উপদেষ্টা উপসঙ্ঘের অন্যতম নাম হলেন—
ক. সুনীতি কুমার
খ. মনসুর মুসা
গ. সুকুমার সেন
ঘ. মুনীর চৌধুরী৷✅

৭২. “ভাষাবিঞ্জান সম্বন্ধে যার কণেকও জানকারি আছে উমুরা জানে যে দুনিয়াত যে কুনো ভাষা পহোলাতে ডায়ালেক্টেয় থাকে৷নামী কবি—নেখাইয়া আসিয়া নেখা—নেখি আরম্ভ করিলে ঐ আঞ্চলিক ভাষাটাকেয় দেশের ঢেল মানষি মানিয়া নেয় আর সেলা হুটা একটা ভাষা বুলিয়া মান পায়৷”—এই উপভাষাটি কোন অঞ্চলের—
ক. বাঁকড়ি উপভাষা
খ. নোয়াখালী উপভাষা
গ. মেদিনীপুরের উপভাষা
ঘ. ফরিদপুরের উপভাষা
ঙ. রাজবংশী উপভাষা৷✅

৭৩. বাংলা ভাষার উপভাষা নিয়ে প্রথম ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনার সূত্রপাত করেন—
ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
গ. স্যার জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন✅
ঘ. সুনীতিকুমার
ঙ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
চ. সুকুমার সেন৷

৭৪. প্রাতিপদিক(Base/Word-Base )হলো—
ক. মুক্ত রূপমূল✅
খ. বদ্ধ রূপমূল
গ. সাধিত রূপমূল
ঘ. সম্প্রসারিত রূপমূল৷

৭৫. বাঁকুড়া জেলার কথ্যভাষা বাঁকড়ি-কে কেউ কেউ বলতেন—
ক. মল্লা বাঙ্গালা
খ. বিষ্ণু বাঙ্গালা
গ. কৃষ্ণ বাঙ্গালা
ঘ. মল্ল বাঙ্গালা৷✅

৭৬. সঞ্জননী ব্যাকরণে বর্গ(Pharse) ও বাক্যের আন্তঃসংগঠন বিশ্লেষণের জন্য একটি বিশেষ কাঠামো ব্যাবহার করা হয়৷ সেই কাঠামোটির নাম—
ক. অব্যবহিত উপাদান কাঠামো৷
খ. এক্স-বার কাঠামো৷ ✅
গ. ওয়াই-বার কাঠামো।
ঘ. কোনটিই নয়

৭৭. বাংলায় শব্দের রূপবৈচিত্র নিয়ন্ত্রণ করে শব্দরূপ৷এই শব্দরূপ আসলে—
ক. ধ্বনিমূল
খ. রূপমূল ✅
গ. ক্রিয়ামূল
ঘ. কোনটিই নয়।

৭৮. চমস্কি বললেন,গঠন-নির্দেশক নিয়ম ও সংবর্তন-নিয়ম ছাড়াও ব্যাকরণের মধ্যে থাকা দরকার-
ক. Deep Structure
খ. Surface Structure
গ. Move alpha
ঘ. Lexicon. ✅

৭৯. গঠনবাদী-বর্ণনবাদী ভাষাবিঞ্জানীরা বাক্যকে ক্রমিক পদক্ষেপে ছোট থেকে আরো ছোট বাক্যাংশে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে তাঁরা নাম দেন-
ক. Phrase structure rules analysis
খ. Immediate constituent analysis ✅
গ. X-bar theory analysis.
ঘ. কোনটিই নয়

৮০. ভবিষ্যতের ভাষাবিঞ্জানে যে পদবিন্যাসই “শ্রেষ্ঠ আসন লবে” তা বুঝতে পারার মতো দূরদৃষ্টি ছিল-
ক. সোস্যুর ✅
খ. চমস্কি
গ. ব্লুমফ্লিড
ঘ. পাণিনি

Related posts:

পদার্থ কাকে বলে ? পদার্থ ও বস্তু কি এক ?
প্রশ্ন : মূল্যায়ন কাকে বলে ? মূল্যায়ন কয় প্রকার ও কী কী ? যে - কোনো একপ্রকার মূল্যায়নের বিবরণ দি...
একক পাঠ পরিকল্পনা কাকে বলে ? পাঠ পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা লিখুন । এর সুবিধা লিখুন ।
শিক্ষা পরিকল্পনা কাকে বলে ? শিক্ষা পরিকল্পনার শ্রেণিবিভাগ করুন । যেকোনো একপ্রকার পরিকল্পনার বিবরণ দি...
ধারণা মানচিত্র কাকে বলে ? এর বৈশিষ্ট্য লিখুন । বাস্তবায়নের উপায় লিখুন । এর গুরুত্ব লিখুন ।
পাঠ একক বিশ্লেষণ কাকে বলে ? পাঠ একক বিশ্লেষণের স্তর বা ধাপগুলি লিখুন
অন্তর্ভুক্তিকরণে ( সমন্বিত শিখনে ) প্রদর্শিত শিল্পকলার কীভাবে প্রয়োগ করবেন
প্রদর্শিত শিল্পকলার লক্ষ্য , বৈশিষ্ট্য , গুরুত্ব ও বাস্তবায়নের কৌশল
প্রাথমিক স্তরে পাঠদানের ক্ষেত্রে নাটকের ব্যবহার
মূল্যবোধ শিক্ষায় বিদ্যালয় ও শিক্ষকের ভূমিকা
মূল্যবোধ || মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য || প্রাথমিক স্তরে মূল্যবোধের শিক্ষার গুরুত্ব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষায় তথ্য ও সংযোগসাধন প্রযুক্তির ভূমিকা
সমন্বয়িত শিক্ষণে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সমস্যা ও সাফল্য
পাঠক্রম পরিব্যাপ্ত শিক্ষণবিজ্ঞানে তথ্য ও সংযোগসাধন প্রযুক্তির ব্যবহার
পাঠক্রম পরিব্যাপ্ত শিক্ষণবিজ্ঞানে তথ্য ও সংযোগসাধন প্রযুক্তির ব্যবহার
উদাহরণসহ প্রকল্প পদ্ধতির বিবরণ
পূর্বসূত্রজনিত শিখন ( Contextualization ) কাকে বলে ?
জ্ঞান , পাঠক্রম , পাঠ্যবই , শিক্ষার্থী ও শিক্ষণবিজ্ঞানের মধ্যের সম্পর্ক
অনুসন্ধান পদ্ধতি
জ্ঞান নির্মাণ কীভাবে হয় উদাহরণসহ আলোচনা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page