হান্টার কমিশনের সুপারিশগুলি সংক্ষেপে লিখুন

প্রশ্ন 7 : হান্টার কমিশনের সুপারিশগুলি সংক্ষেপে লিখুন ।

উত্তর : (1) নীতি: সরকারের শিক্ষানীতিকে তীব্র সমালোচনা করে বলা হয় যে , সরকার ডেসপ্যাচের নির্দেশ বিরোধী কাজ করছে । প্রাদেশিক সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অজ্ঞ সাহায্য দিচ্ছে না । কমিশন আর্থিক সাহায্যের ক্ষেত্রে আরও উদার হতে বলেন । নতুন বিদ স্থাপনে সরকারকে নিবৃত্ত থাকতে বলা হয় । প্রাথমিক শিক্ষার দায়িত্ব থাকবে আঞ্চলিক প্রশাসনের উপর । মাধ্যমিক ও কলেজীয় শিক্ষার জন্য থাকবে বিশেষ কমিটি । কমিশন বলেন , নীতি কার্যকারী করে তুলতে দুটি পদক্ষেপ নিতে হবে– (ক) শিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা হ্রাস করতে হবে এবং (খ) আর্থিক অনুদান সঠিক নীতি অনুযায়ী হবে ।

(2) প্রাথমিক শিক্ষা : 1854-1882 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার প্রসার খুব শ্লথ হওয়াতে কমিশন প্রাথমিক শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে । কমিশন খুব জোরের সঙ্গে বলে যে , জাতীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসার সর্বোপেক্ষা অধিক গুরুত্ব দাবি করতে পারেবলে । বলে যে , জাতীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসার সর্বাপেক্ষা অধিক গুরুত্ব । দাবি করতে পারে । কমিশন প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসারে মোট 36 টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করে । তাদের চটি ভাগে ভাগ করা যায় । যথা—(ক) শিক্ষানীতি , (খ) দেশজ বিদ্যালয়কে উৎসাহ দান , (গ) আইন এবং প্রশাসন , (ঘ) বিদ্যালয় প্রশাসন (অভ্যন্তরীণ প্রশাসন) , (ঙ) শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং (চ) অর্থসংস্থান । শিক্ষানীতি প্রসঙ্গে—

(ক) প্রাথমিক শিক্ষা স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে । তা মাধ্যমিক শিক্ষার প্রস্তুতিপর্ব নয় ।

(খ) ক্রমবর্ধমান নিরক্ষরতা দূরীকরণে একে জনশিক্ষায় রূপ দিতে হবে ।

(গ) ব্যাবহারিক জীবনে প্রয়োজনে লাগে এমন সব বিষয়বস্তুকে মাতৃভাষার মাধ্যমে পাঠদান করে প্রাথমিক শিক্ষাকে জনশিক্ষায় পরিবর্তিত করতে হবে ।

(ঘ) জনগণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন , প্রসার ইত্যাদির প্রতি রাজ্যকে বিশেষ নজর দিতে হবে ।

(ঙ) প্রাথমিক শিক্ষার প্রসার এবং উন্নয়নের প্রতি সর্বোচ্চ অগ্রগতির দৃষ্টি দিতে হবে অন্যথায় জাতীয় শিক্ষা রচনা করা সম্ভব হবে না । প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে যেসব জেলা পিছিয়ে পড়েছে সেগুলির প্রতি এখনই নজর দিতে হবে ।

(3) দেশজ প্রতিষ্ঠান : দেশজ বিদ্যালয়ের প্রতি উৎসাহদান:

(ক) দেশজ বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা কমিশন স্বীকার করে এবং জনশিক্ষার ভিত্তি হিসাবে দেশজ বিদ্যালয়কে উৎসাহ দেওয়ার সুপারিশ করা হয় ।

(খ) কমিশনের মতে , দেশজ বিদ্যালয়গুলি হল সেই বিদ্যালয় যেগুলি ভারতীয় ঐতিহ বহন করে এবং স্থাপিত ও পরিচালিত হয় ভারতীয়দের দ্বারা । কমিশন এই বিদ্যালয়গুলির গুরুত্ব ও তার সীমাবদ্ধতা ব্যক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নিম্নমানের কথা স্বীকার করে , এগুলির উন্নতির জন্য উৎসাহ দেওয়ার কথা ব্যক্ত করে । এগুলের উন্নতির জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয় ।

(i) দেশজ বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন ধর্মনিরপেক্ষ হবে ।

(ii) দেশজ বিদ্যালয়গুলিতে ফলের ভিত্তিতে আর্থিক প্রয়োজন । অপেক্ষাকৃত ভালো পদ্ধতি

(iii) দেশজ বিদ্যালয়গুলিতে পাঠদান ।

(iv) পরিদর্শন এবং পরীক্ষার মান উন্নত করা প্রয়োজন ।

(v) জাতি , ধর্ম ও নারী-পুরুষ ভেদ সকলের জন্য শিক্ষার ওরদ্বার উন্মুক্ত থাকবে ।

(vi) কমিশন মনে করেন , দেশজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের ভার থাকবে মিউনিসিপ্যাল বা জেলা বোর্ডের ও
উপর । প্রাদেশিক সরকারের শিক্ষা বিভাগ জেলা ও মিউনিসিপ্যাল বোর্ডকে আর্থিক সাহায্য করবে ।

(vii) দলিত শ্রেণীর শিক্ষার জন্য আর্থিক সাহায্য দেওয়া প্রয়োজন ।

(4) আইনগত এবং প্রশাসন: কমিশন সুপারিশ করেন প্রাথমিক শিক্ষার নিয়ন্ত্রণ থাকবে জেলা এবং মিউনিসিপ্যাল বোর্ডের হাতে । বোর্ড ‘শিক্ষা বোর্ড’ গঠন করবে । এই শিক্ষা বোর্ড নিজ অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষাকে নিয়ন্ত্রণ করবে ।

(5) প্রশাসন (বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রশাসন) :

(ক) বিদ্যালয়গুলির মধ্যে সমতা নিয়ে আসার চেষ্টা করা হবে না । স্থানীয় প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষার পাঠক্রম হবে । তবে পাঠক্রমকে সম্ভব মতো সরলীকরণ করতে হবে ।

(খ) প্রাথমিক শিক্ষার পাঠক্রমে থাকবে ব্যাবহারিক গণিত , হিসাবরক্ষা , কৃষি , ভৌতবিজ্ঞান , স্বাস্থ্য , চিকিৎসা , ফাইন আর্টস ইত্যাদি ।

(গ) বিদ্যালয় পরিচালকগণ ইচ্ছামতো পাঠ্যপুস্তক নির্বাচন করতে পারবেন ।

(ঘ) বছরের কোন্ সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে এবং শ্রেণিকক্ষের কাজ কখন শুরু হবে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবার অধিকার বিদ্যালয়কে দেওয়া হবে । ।

(ঙ) কোনো প্রদেশেই প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক হবে না ।

(চ) পরিদর্শকগণ সম্ভব মতো পরীক্ষা গ্রহণ করবেন ।

(ছ) মাতৃভাষা হবে শিক্ষার মাধ্যম ।

(6) শিক্ষক-শিক্ষণ: কমিশন প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতিকল্পে শিক্ষক-শিক্ষণের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন । প্রত্যেকটি মহকুমা এবং মহকুমা পরিদর্শকের অধীনে অন্তত একটি করে বিদ্যালয় থাকবে । এর জন্য সরকারকেই আর্থিক দায়িত্ব বহন করতে হবে ।

(7) অর্থসংস্থান :

(ক) স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনকে প্রাথমিক শিক্ষার ব্যয়ের জন্য একটি তহবিল গঠন করতে হবে । স্থানীয় ভিত্তিতে সংগৃহীত অর্থের অধিকাংশই প্রাথমিক শিক্ষার জন্য খরচ করতে হবে ।

(খ) সুষ্ঠু নীতি অনুযায়ী প্রাদেশিক সরকার স্থানীয় তহবিলকে আর্থিক সাহায্য করবে ।

(গ) নর্মাল স্কুল এবং পরিদর্শকের জন্য ব্যয় প্রাদেশিক সরকার বহন করবে ।

(ঘ) কমিশন সুপারিশ করেন যে , প্রাথমিক শিক্ষার জন্য ব্যয়ের এক-তৃতীয়াংশ প্রাদেশিক সরকার বহন করবে । তবে কীভাবে এই প্রচুর অর্থ আসবে সে সম্পর্কে কমিশন নীরব ছিলেন । যার ফলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন কার্যকারী হয়নি ।

(ঙ) ফলের ভিত্তিতে বিদ্যালয়কে অনুদানের নীতি রিপোর্টে সুপারিশ করা হয় , যা সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না ।

(চ) দরিদ্র ছাত্রদের ফিস মকুব এবং মেধাবী ছাত্রদের বৃত্তির ব্যবস্থাও সুপারিশে ছিল ।

(8) মিশনারি প্রচেষ্টা সম্পর্কে সুপারিশ মিশনারিদের বড়ো আশা ছিল ভারতের কবে । কিন্তু কমিশন শিক্ষার প্রসারে মিশনারিদের বেসরকারি

(6) শক্ষা-কমিশন: কমিশন প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতিকল্পে শিক্ষক-শিক্ষণের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন । প্রত্যেকটি মহকুমা এবং মহকুমা পরিদর্শকের অধীনে অন্তত একটি করে নর্ম্যাল বিদ্যালয় থাকবে । এর জন্য সরকারকেই আর্থিক দায়িত্ব বহন করতে হবে ।

(7) অর্থসংস্থান:

(ক) স্থানিয় স্বায়ওশাসনকে প্রাথমিক শিক্ষার ব্যয়ের জন্য একটি তহবিল গঠন করতে হবে । স্থানিয় ভিত্তিতে সংগৃহীত অর্থের অধিকাংশই প্রাথমিক শিক্ষার জন্য খরচ করতে হবে ।

(খ) সুষ্ঠু নীতি অনুযায়ী প্রাদেশিক সরকার স্থানীয় তহবিলকে আর্থিক সাহায্য করবে ।

(গ) নর্মাল স্কুল এবং পরিদর্শকের জন্য ব্যয় প্রাদেশিক সরকার বহন করবে ।

(ঘ) কমিশন সুপারিশ করেন যে , প্রাথমিক শিক্ষার জন্য ব্যয়ের এক-তৃতীয়াংশ প্রাদেশিক সরকার বহন করবে । তবে কীভাবে এই প্রচুর অর্থ আসবে সে সম্পর্কে কমিশন নীরব ছিলেন । যার ফলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন কার্যকারী হয়নি ।

(ঙ) ফলের ভিত্তিতে বিদ্যালয়কে অনুদানের নীতি রিপোর্টে সুপারিশ করা হয় , যা সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না ।

(চ) দরিদ্র ছাত্রদের ফিস মকুব এবং মেধাবী ছাত্রদের বৃত্তির ব্যবস্থাও সুপারিশে ছিল ।

(8) মিশনারি প্রচেষ্টা সম্পর্কে সুপারিশ: মিশনারিদের বড়ো আশা ছিল ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে তাঁদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে । কিন্তু কমিশন শিক্ষার প্রসারে মিশনারিদের ভূমিকার উপর গুরুত্ব আরোপ করে তাঁদের আশায় জল ঢেলে দেন । কমিশন বলেন , বেসরকারি শিক্ষা প্রসারে উৎসাহ দেবার অর্থ হল ভারতীয় বেসরকারি প্রচেষ্টা মিশনারি নিয়ন্ত্রিত বেসরকারি প্রচেষ্টা নয় । ধর্মকে শিক্ষার বাইরে রাখার সুপারিশের ফলে মিশনারিরা হতাশ হয়ে পড়েন । কমিশন আরও বলেন , শিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থার অপসারণ বলতে ভারতীয় শিক্ষাই বোঝায় , মিশনারিদের ক্ষেত্রে নয় ।

(9) শিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারি হস্তক্ষেপ ক্রমশ হ্রাস:

(ক) গণশিক্ষার দায়িত্ব থাকবে ভারতীয় জনগণের উপর । এর জন্য তাঁরা প্রয়োজনীয় অর্থসংগ্রহ করবেন । এর ফলে সরকারি ক্ষেত্রে যে অর্থের সাশ্রয় হবে তার দ্বারা বহু বিদ্যালয়কে অনুদান দেওয়া সম্ভব হবে ।

(খ) প্রাথমিক শিক্ষার ভার থাকবে স্থানীয় বোর্ডের উপর এবং কলেজীয় শিক্ষার ভার ন্যস্ত থাকবে ভারতীয়দের হাতে , যদিও সরকার তাদের নির্দেশ দেবেন ।

(10) অনুদান ব্যবস্থা:

(ক) প্রত্যেক প্রদেশে আঞ্চলিক চাহিদা অনুযায়ী অনুদানের নীতি স্থির করবেন ।

(খ) অনুদানের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না ।

(গ) অনুদান নীতি সহজ , সরল ও নমনীয় হবে ।

(ঘ) অনুদানের জন্য প্রতিটি আবেদন বিবেচিত হবে এবং উত্তর দিতে হবে । অনুদান না দেওয়া হলে তার কারণ জানাতে হবে ।

(11) ব্যাস্ত শিক্ষা: এ দেশের ব্যাপক নিরক্ষর সমস্যা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে । তাই কমিশন বয়স্কদের জন্য নৈশ বিদ্যালয় চালু করার কথা বলেন ।

কমিশনের ইতিবাচক সুপারিশসমূহ :

(1) শিক্ষার উপর থেকে সরকারি হস্তক্ষেপের হ্রাস সম্পর্কিত সুপারিশ শিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ সূচনার ইঙ্গিত বহন করে ।

(2) সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা পর্যন্ত প্রসারে সাহায্য করেছিল ।

(3) একশো বছরের অধিক পূর্বে ব্যাপক নিরক্ষরতা দূর করার জন্য বয়স্ক শিক্ষা সম্পর্কে কমিশনের সুপারিশ অবশ্যই প্রশংসনীয় ।

(4) স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনকে প্রাথমিক শিক্ষার ভার অর্পণ করার মধ্য দিয়ে শিক্ষাকে গণতন্ত্রীকরণ ও ভারতীয়করণের প্রচেষ্টা প্রশংসার দাবি করে ।

(5) মিশনারি ও ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা সম্পর্কীয় সুপারিশ সমর্থনযোগ্য ।

(6) প্রয়োগ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার পাঠক্রম প্রণয়ন , দ্বিমুখী মাধ্যমিক শিক্ষা , উচ্চশিক্ষার বৈচিত্র্যপূর্ণ পাঠক্রম , আঞ্চলিক ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচনা প্রভৃতি । সুপারিশগুলি শিক্ষার স্বার্থরক্ষা করে ।

Related posts:

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের জীবন কথা
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী : 2024
চন্দ্রযান-3 : চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী প্রথম দেশ ভারত
GENERAL STUDIES : TEST-2
GENERAL STUDIES : 1
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: 8ই সেপ্টেম্বর
'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
তপনের জীবনে তার ছোটো মাসির অবদান আলোচনা করো।
সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝ ?
আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝায় ? এটি কয়প্রকার ও কী কী ?
একটি সাদা কাগজকে কীভাবে তুমি অস্বচ্ছ অথবা ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যমে পরিণত করবে ?
ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অস্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অপ্রভ বস্তুও কি আলোর উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে?
বিন্দু আলোক - উৎস কীভাবে পাওয়া যেতে পারে ?
বিন্দু আলোক - উৎস ও বিস্তৃত আলোক - উৎস কী ?
অপ্রভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বপ্নভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
দিনেরবেলা আমরা ঘরের ভিতর সবকিছু দেখতে পাই , কিন্তু রাত্রিবেলা আলোর অনুপস্থিতিতে কোনো জিনিসই দেখতে পা...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page