সমাজবিজ্ঞানের বিষয় হিসেবে রাষ্ট্রবিজ্ঞান

📚 রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ধারণা ( Concept of Political Science ) :

📜 বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ নতুন ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের নতুন ধরনের সংজ্ঞা দিতে শুরু করেন । তাঁরা রাষ্ট্রের পরিবর্তে সংঘ , রাজনৈতিক পরিবর্তন , স্থিতিশীলতা ও সংস্কৃতি নিয়ে আলােচনা করেন ।

📜 আধুনিক আলােচনায় রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ রাষ্ট্রের পরিবর্তে মানুষের আচরণ , বিরােধ , ক্ষমতা , প্রভাব , রাজনৈতিক পরিবর্তন প্রভৃতির উপর গুরুত্ব আরােপ করেন । তাঁদের মতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে আরও বেশি বাস্তবসম্মত করে গড়ে তােলার জন্য কেবল রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠানগুলির আলােচনাই যথেষ্ট নয় । কারণ , এর মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনের পুরােপুরি পরিচয় পাওয়া যায় না । ব্যক্তি ও গােষ্ঠীর আচরণ , রাজনৈতিক দল , বিশেষ বিশেষ স্বার্থ রক্ষার জন্য গঠিত গােষ্ঠী , রাজনৈতিক প্রভাব ও শক্তি প্রভৃতি বিষয়কে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত ।

📜 মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ডেভিড ইস্টন ( David Easton ) রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞায় রাষ্ট্রকে স্থান দেননি । তিনি উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান হল মূল্যের কৃর্তৃত্বসম্পন্ন বরাদ্দের আলােচনা । তাঁর মতে , সমাজ ক্ষমতা বণ্টনের প্রকৃতি ও ক্ষমতা প্রয়ােগের উপর নির্ভরশীল । মূল্য বলতে সম্পদ ও সুযােগসুবিধাকে বােঝায় । কোনাে সমাজে কীভাবে ক্ষমতা বণ্টিত হয় তার উপরেই ওই বরাদ্দ নির্ভরশীল থাকে । এই বরাদ্দ বাধ্যতামূলক । কারণ যারা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত তাঁদের সিদ্ধান্তই বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়ােগ করা যায় । সমাজে সম্পদের অভাব থাকে । এই কারণেই নির্দিষ্ট কর্তৃত্ব বণ্টন করে ।

📜 মার্কসবাদীগণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে শ্রেণিগত দিক থেকে বিশ্লেষণ করেছেন । তাঁদের মতে , শ্রেণিবিভক্ত সমাজে উৎপাদনের উপকরণের মালিক ও ওই মালিকানা থেকে বঞ্চিত মানুষের মধ্যে নিরন্তর সংঘাত ও দ্বন্দ্ব অনিবার্য । সমাজের অভ্যন্তরে অর্থাৎ উৎপাদন ব্যবস্থার অভ্যন্তরেই বিরােধের বীজ নিহিত থাকে । কোনাে প্রকার আপসমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে তার অবসান ঘটানাে সম্ভব নয় । মার্কসবাদী রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে শ্রেণিগত অবস্থান এবং শ্রেণিসংগ্রামের প্রেক্ষাপটে আলােচনা করেন ।

📜 উপরােক্ত আলােচনার বিষয় থেকে এটিই বলা যায় যে , রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলতে সমাজবিজ্ঞানের এমন একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শাখাকে বােঝায় , যা একদিক যুক্তিসম্মত এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে রাষ্ট্রের তত্ত্ব , সংগঠন , সরকার ও শাসনব্যবস্থা , রাজনৈতিক মতবাদ ও মতাদর্শ এবং অন্যদিকে ব্যক্তি ও গােষ্ঠী , রাজনৈতিক দল , রাজনৈতিক সংস্থা এবং সমাজে প্রভাব ও প্রভাবশালীদের সম্পর্কে আলােচনা করে ।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি এবং পরিধি :

📔 রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি এবং পরিধি ( Nature and Scope of Political Science ) কোনাে বিষয়ের সংজ্ঞায় আমরা তার প্রকৃতির আভাস পাই মাত্র । কিন্তু কোনাে বিষয়কে ভালােভাবে জানতে হলে তার সংজ্ঞা নির্দেশ করাই যথেষ্ট নয় , বিস্তারিত আলােচনার দ্বারা তার প্রকৃতির পরিচয় দেওয়া দরকার । এই কারণে রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঠের শুরুতেই স্বাভাবিকভাবে এসে পড়ে তার প্রকৃতির আলােচনা।

🧾 আবার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি ঠিকভাবে বুঝতে হলে তার পরিধি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা বাঞ্ছনীয় । কারণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি প্রকাশ পায় তার পরিধিতে । অর্থাৎ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি বা আলােচনাক্ষেত্র কতদূর পর্যন্ত প্রসারিত , তার আলােচ্যবস্তু কী কী — এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলেই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি সম্বন্ধে পরিষ্কার ধারণা করা যায়।

🧾 রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞান । সুতরাং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলােচনা ক্ষেত্রের সীমানা নির্ধারণ করা মােটেই সহজসাধ্য ব্যাপার নয় । বর্তমানে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলােচনা ক্ষেত্রের পরিধি অতিমাত্রায় প্রসারিত । বর্তমানে রাষ্ট্র এবং অন্যান্য যে – কোনাে বিষয় যা মানুষের রাষ্ট্রনৈতিক জীবনকে স্পর্শ করে তা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলােচনার অন্তর্ভুক্ত হয় ।

📑 1948 খ্রিস্টাব্দে UNESCO- র তত্ত্বাবধানে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্মেলন ( International Political Science Conference ) – এ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কর্মপরিধি হিসেবে কয়েকটি বিষয়কে চিহ্নিত করা হয়েছে । এই চিহ্নিত বিষয়গুলি হল— •

🔘 রাজনৈতিক তত্ত্ব

🔘 রাজনৈতিক দর্শন

🔘 রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান

🔘 দল ও জনমত

🔘 জান প্রশাসন

🔘 আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

🔘 রাষ্ট্র এবং ব্যক্তির সম্পর্ক

🧾 আমরা নিম্নোক্তভাবে এগুলিকে বর্ণনা করতে পারি—

🔘 রাজনৈতিক তত্ত্ব : এটি রাষ্ট্র , সরকার , আইন , স্বাধীনতা , সমতা , ন্যায়বিচার , সার্বভৌমত্ব , ক্ষমতা , বিচ্ছিন্নতা , প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি , সরকার গঠন , রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা এবং বিভিন্ন মতাদর্শের ভিত্তিতে গঠিত রাজনৈতিক মতাদর্শের মৌলিক ধারণাগুলির সংজ্ঞা ও অর্থ আলােচনা করে ।

📜 রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঠের ক্ষেত্রে এই মৌলিক পরিভাষাগুলির অর্থ ও মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা অপরিহার্য । একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞান শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক তত্ত্ব পাঠের মাধ্যমেই তার রাষ্ট্রবিজ্ঞান শিখনের সূচনা হয় ।

🔘 রাজনৈতিক দর্শন : এটি রাষ্ট্রবিজ্ঞান কর্তৃক ব্যবহৃত মৌলিক নীতিগুলির তাত্ত্বিক ও ধারণাগত বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত । প্লেটো , অ্যারিস্টটল , ম্যাকিয়াভেলি , হবস , লক , রুশাে , হেগেল , মিল , মার্কস , গান্ধিজি – র মতাে বিশিষ্ট রাষ্ট্রদার্শনিকরা যুগে যুগে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রকৃতি , কার্যকলাপ এবং অবলুপ্তি সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেছেন । এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলির ভিত্তিতেই রাজনৈতিক তত্ত্ব রাজনৈতিক ধারণাগুলিকে সংজ্ঞায়িত করে । এখানেই রাজনৈতিক দর্শনের সার্থকতা । রাজনৈতিক দর্শনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল আদর্শ ও মূল্যবােধ প্রণয়ন করা , যেগুলি অর্জনের জন্য রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলি সদা সচেষ্ট ।

🔘 রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান : এটি রাষ্ট্র এবং অন্যান্য প্রথাগত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত , যার মাধ্যমে এটি সরকার হিসেবে কাজ করে । অতএব রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান পরিধির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয় আইন বিভাগ , শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগের মতাে আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানগুলির গঠন ও কার্যাবলি , নির্বাচনি ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্রিয়াকলাপ প্রভৃতি ।

📑 বিভিন্ন দেশের এই ধরনের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির তুলনামূলক গবেষণা ( তুলনামূলক রাজনীতি ) রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের সরকার পরিচালনার যথাযথ ও কার্যকর নীতিমালা তৈরি করতে সহায়তা করে ।

🔘 দল ও জনমত : এই শব্দ দুটি রাষ্ট্র ও রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রােতভাবে জড়িত । তারা রাজনৈতিক কার্যাবলিকে প্রভাবিত করে এবং ব্যাখ্যা করে । এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল , চাপসৃষ্টিকারী গােষ্ঠী , স্বার্থগােষ্ঠী , লবি , জনমত , প্রচার প্রভৃতি উল্লেখ্য , যারা ব্যক্তি ও গােষ্ঠীর রাজনৈতিক আচরণ এবং মনােভাবকে প্রভাবিত করে এক নতুন দিকে পরিচালিত করে ।

🧾 সম্প্রতি রাজনৈতিক আচরণ সম্পর্কিত অনুসন্ধানমূলক গবেষণাকেও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধির অন্তর্ভুক্ত করার প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে । অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞানের মতাে রাষ্ট্রবিজ্ঞান শুধুমাত্র রাজনৈতিক ঘটনাবলি বিশ্লেষণের নব নব কৌশল উদ্ভাবন করেই স্তব্দ হয়নি , রাজনৈতিক সংস্কৃতি , রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ এবং রাজনৈতিক সংযােগসাধন প্রভৃতির মতাে নতুন নতুন ধারণা উদ্ভাবন করে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধিকে সম্প্রসারিত করেছে ।

🔘 জনপ্রশাসন : সাম্প্রতিককালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা হিসেবে জনপ্রশাসনের উত্থান হয়েছে । এটি প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা , অর্থনৈতিক প্রশাসন , জনসংযােগ , ব্যবস্থাপনা , প্রশাসনিক আইন এবং বিচারব্যবস্থা প্রভৃতির নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত । এ ছাড়াও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনমূলক প্রতিষ্ঠানসমূহ , যেমন — কর্পোরেশন , পৌরসভা এবং পঞ্চায়েতিরাজমূলক প্রতিষ্ঠানগুলির অধ্যয়ন জনপ্রশাসনের অন্তর্ভুক্ত ।

🔘 আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক : আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সংক্রান্ত গবেষণা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান পরিধিকে আরও প্রসারিত করেছে । কূটনীতি , বিদেশনীতি , আন্তর্জাতিক রাজনীতি , বিশ্বশান্তি , সহযােগিতা , আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলির মতাে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মাধ্যমে এক নতুন মাত্রা লাভ করেছে ।

🔘 রাষ্ট্র এবং ব্যক্তির সম্পর্ক : রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলােচ্য বিষয় হল রাষ্ট্র ও ব্যক্তির সম্পর্ক । রাষ্ট্র ব্যক্তিকে অধিকার ও স্বাধীনতা প্রদান করে এবং বিনিময়ে আনুগত্য লাভ করে , তবে প্রয়ােজনে রাষ্ট্র আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যক্তির আচরণ ও কর্মকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

📜 বাস্তব ক্ষেত্রে রাষ্ট্র , কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা এবং ব্যক্তিদের স্বাধীনতার মধ্যে সঠিক সমন্বয়সাধন করা একটি দুরূহ কাজ । এই সমন্বয়সাধনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ক্রিয়াকলাপের সঠিক সীমানা নির্ধারণ , রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণকে সীমিতকরণ এবং ব্যক্তির স্বাধীনতার এলাকা নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । এই ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলির আলােচনা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধিকে প্রসারিত করেছে ।

📜 অতএব বলা যায় , আধুনিককালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতিতে বিরাট পরিবর্তন ঘটেছে । রাষ্ট্রের সংকীর্ণ গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ না থেকে আজ সে স্থান করে নিয়েছে সমাজের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে । এইভাবে আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতিতে এসেছে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন । এই পরিবর্তনের সুবাদে আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান অতীতকালের মতাে আর একমাত্রিক নয় , তা এখন বহুমাত্রিক। অর্থাৎ রাষ্ট্রবিজ্ঞান আজ সমাজবিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার সঙ্গে তার স্বচ্ছন্দ সংযােগস্থাপন করেছে এবং কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে এই সব শাখার মর্মবস্তু আত্মস্থ করে নবরূপ ধারণ করেছে ।

Related posts:

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের জীবন কথা
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী : 2024
চন্দ্রযান-3 : চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী প্রথম দেশ ভারত
GENERAL STUDIES : TEST-2
GENERAL STUDIES : 1
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: 8ই সেপ্টেম্বর
'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
তপনের জীবনে তার ছোটো মাসির অবদান আলোচনা করো।
সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝ ?
আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝায় ? এটি কয়প্রকার ও কী কী ?
একটি সাদা কাগজকে কীভাবে তুমি অস্বচ্ছ অথবা ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যমে পরিণত করবে ?
ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অস্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অপ্রভ বস্তুও কি আলোর উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে?
বিন্দু আলোক - উৎস কীভাবে পাওয়া যেতে পারে ?
বিন্দু আলোক - উৎস ও বিস্তৃত আলোক - উৎস কী ?
অপ্রভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বপ্নভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
দিনেরবেলা আমরা ঘরের ভিতর সবকিছু দেখতে পাই , কিন্তু রাত্রিবেলা আলোর অনুপস্থিতিতে কোনো জিনিসই দেখতে পা...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page