পৃথিবী একটি গ্ৰহ

📚 [ ১ ] পৃথিবী একটি গ্রহ :

🔘 ভূমিকা : ভােরের আলােয় ঘুম ভাঙলে একবার পূব আকাশের দিকে তাকাও । দেখবে , বিরাট একটি আলাের মতন জ্বলজ্বল করছেন সূর্যদেব । সূর্য থেকে ঠিকরে পড়ছে আলাে , আর আলােকিত হচ্ছে আশপাশ , সমস্ত পৃথিবী । আমাদের মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগবে — কে ঐ সূর্য , কে – ই বা এই পৃথিবী ? উত্তরটা জানতে হলে আমাদের বিশাল মহাকাশের দিকে তাকাতে হবে ।

🔘 মহাকাশ : এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ছাড়িয়েও বহু বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত আছে একটা বিশাল ফাকা জায়গা , যার নাম মহাকাশ বা স্পেস ( Space ) । এই বিশাল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের যত নক্ষত্র , গ্রহ , ছায়াপথ , ধূমকেতু প্রভৃতি যা যেখানে আছে কিংবা থাকা সম্ভব তা এই মহাকাশেই ছড়িয়ে আছে । এই মহাকাশের আদি অন্ত বলে কিছু নেই , অঙ্ক কষেও তার আকার বােঝা এককথায় অসম্ভব এতই তার বিশালতার ব্যাপ্তি ।

🔘 জ্যোতিষ্ক কাকে বলে ?

মেঘমুক্ত পরিষ্কার রাতের আকাশের দিকে যদি আমরা তাকাই , তবে দেখতে পাব যে কত – শত তারা বা জ্যোতিষ্ক আকাশের এখানে ওখানে ছড়িয়ে আছে । এরা সবই হল জ্যোতিষ্কমণ্ডলীর অন্তর্গত মহাকাশে ভাসমান গােলক । ছায়াপথ , নক্ষত্র , গ্রহ , উপগ্রহ , উল্কা , ধূমকেতু প্রত্যেককেই সাধারণভাবে জ্যোতিষ্ক বলা হয় ।

🔘 জ্যোতিষ্কের শ্রেণীবিভাগ : নানান রকমের জ্যোতিষ্কদের প্রধানত ৮ ভাগে ভাগ করা যায় ,

⭐️ যেমন : ( ১ ) নক্ষত্র , ( ২ ) গ্রহ , ( ৩ ) উপগ্রহ , ( ৪ ) গ্রহাণুপুঞ্জ , ( ৫ ) উল্কা , ( ৬ ) ধূমকেতু , ( ৭ ) নীহারিকা , ( ৮ ) ছায়াপথ ।

🔲 [ ১ ] নক্ষত্র : রাত্রির আকাশকে আমরা যদি ভালাে করে লক্ষ্য করি তবে দেখব যে , আকাশের এখানে ওখানে ছড়িয়ে থাকা শত শত জ্যোতিষ্কের মধ্যে কতকগুলাে জ্যোতিষ্কের আলাে মিটমিট করে জ্বলছে , এদের নক্ষত্র বলা হয় ।

🔘 নক্ষত্র কাকে বলে ?

নক্ষত্র হল মহাকাশে ভাসমান বিরাট বিরাট অগ্নিপিণ্ড যাদের নিজস্ব আলাে । ও উত্তাপ আছে । বহুদূর থেকে বিভিন্ন মাধ্যম অতিক্রম করে তাদের আলাে এই পৃথিবীতে এসে পড়ে বলে মিটমিটে দেখায় ।

উদাহরণ : সূর্য , আলফা সেন্টরাই প্রভৃতি হল এক – একটি নক্ষত্রের উদাহরণ ।

🔘 সূর্যও একটি নক্ষত্র কিন্তু সূর্যের আলােকে আমরা স্থির দেখি কেন ? সূর্য একটি নক্ষত্র হলেও সূর্য থেকে পৃথিবী অনেক কাছে থাকায় সূর্যের আলাে অনেক কম দূরত্ব অতিক্রম করে সরাসরি আমাদের চোখে এসে পড়ে , তাই আমরা সূর্যের আলােকে স্থির দেখি ।

🔘 নক্ষত্রদের আয়তন : নক্ষত্রগুলাে আয়তনে কত বড় তা আমরা কল্পনায়ও আনতে পারি না । সূর্য এমন একটি নক্ষত্র , যা পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় । বিশাল মহাকাশে আরও অনেক নক্ষত্র দেখা যায় যাদের আয়তন সূর্যের চেয়েও অনেক বড় ।

🔲 [ ২ ] গ্রহ : রাত্রির আকাশকে আমরা যদি ভালাে করে লক্ষ্য করি তবে দেখব যে , কিছু কিছু জ্যোতিষ্কের আলাে মিটমিট করে না জ্বলে স্থির হয়ে আছে , এদের গ্রহ বলে ।

🔘 গ্রহ কাকে বলে ?

⭐️ মহাকাশের জ্যোতিষ্কদের মধ্যে এমন কিছু জ্যোতিষ্ক আছে যাদের নিজস্ব কোন আলাে বা উত্তাপ নেই এবং যারা সূর্য বা অন্য কোন নক্ষত্রের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে তাদের চারদিকে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুরে বেড়ায় । এদের গ্রহ বলে । এরা সূর্য বা অন্য কোন নক্ষত্র থেকে আলাে ও উত্তাপ পায় । আমাদের এই পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ ।

🔘 গ্রহদের আলাে স্থির থাকে কেন ?

⭐️ গ্রহরা নক্ষত্রদের চাইতে পৃথিবীর অনেক কাছে আছে বলে এদের থেকে অনেক বেশী পরিমাণ আলাে সরাসরি এসে আমাদের চোখে পড়ে , ফলে আমরা গ্রহদের একটানা ( স্থির ) আলােই দেখতে পাই ।

সৌরজগৎ :

🔲 [ ৩ ] সৌরজগৎ : সূর্যের আকর্ষণে আমাদের পৃথিবীর মত অনেক ছােট বড় জ্যোতিষ্ক যারা সূর্যের চারদিকে ঘুরছে , তাদের একসঙ্গে সৌরজগৎ , সৌর পরিবার বা সূর্যের পরিবার বলা হয় । সূর্য এই পরিবারের কুর্তা । পৃথিবী সহ ৯ টি গ্রহ ( যারা সূর্যের চারদিকে ঘুরছে ) , বিভিন্ন উপগ্রহ ( যারা গ্রহদের চারদিকে ঘুরছে ) , অসংখ্য গ্রহাণুপুঞ্জ , ধূমকেতু ও উল্কা সৌরজগতের অন্তর্গত ।

🔲 [ ৪ ] গ্রহদের সৃষ্টি : গ্রহগুলাের সৃষ্টিরহস্য বড়ই বিচিত্র । আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে সৃষ্টির শুরুতে একটি বিশাল নক্ষত্র সূর্যের চারদিকে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ মহাকাশে প্রচণ্ড এক বিস্ফোরণ ঘটায় , যার ফলে নক্ষত্রটির টুকরাে অংশগুলাে মহাকাশে বহুদূরে ছড়িয়ে পড়ে । অল্প কিছু ক্ষুদ্র বাষ্পীয় পিণ্ড সূর্যের কাছে থেকে যায় । পরে ঐ বাষ্পীয় পিণ্ডগুলাে সূর্যের আকর্ষণে তার চারদিকে নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট পথে ঘুরতে থাকে , এভাবেই গ্রহগুলাের সৃষ্টি হয় । ক্রমে ক্রমে তাপ বাষ্প সূত্র বিকিরণের ফলে ওগুলাে ঠাণ্ডা হয়ে আসে । আমরা যে গ্রহে বসবাস করি , সেই পৃথিবীও এককালে এমনি এক বাষ্পীয় পিণ্ড ছিল । কালক্রমে তাপ বিকিরণের ফলে ঠাণ্ডা হয়ে পৃথিবী প্রাণীর বাসের উপযােগী হয়ে উঠেছে ।

🔲 [ ৫ ] সূর্য থেকে দূরত্ব অনুসারে পৃথিবী সহ বিভিন্ন গ্রহের নাম : সূর্য থেকে দূরত্ব অনুসারে গ্রহগুলাের পরপর নাম হল : ( ১ ) বুধ , ( ২ ) শুক্র , ( ৩ ) পৃথিবী ( পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব হল প্রায় ১৫ কোটি কিলােমিটার ) , ( ৪ ) মঙ্গল , ( ৫ ) বৃহস্পতি , ( ৬ ) শনি , ( ৭ ) ইউরেনাস , ( ৮ ) নেপচুন এবং ( ৯ ) প্লুটো

◼️ দূরত্ব অনুসারে বুধ সূর্যের নিকটতম ( ৫.৮ কোটি কিলােমিটার ) এবং প্লুটো সূর্যের দূরতম ( ৫৯০ কোটি কিলােমিটার ) গ্রহ ।

🔲 [ ৬ ] পৃথিবীর সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহের তুলনামূলক আয়তন : গ্রহদের মধ্যে বুধ , শুক্র , পৃথিবী , মঙ্গল ও প্লটো হল আকারে ছােট । বৃহস্পতি , শনি , ইউরেনাস ও নেপচুন আয়তনে খুব বড় , এজন্য এদের রাক্ষুসে গ্রহ ( Giant planets ) বলে । গ্রহদের মধ্যে আয়তনে বুধ সব থেকে ছােট এবং বৃহস্পতি সব থেকে বড় । গ্রহদের মধ্যে আয়তনে পৃথিবী পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে । সৌরজগতের গ্রহদের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায় যে বৃহস্পতি , শনি , ইউরেনাস ও নেপচুন আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে বড় এবং বুধ , শুক্র , মঙ্গল ও প্লুটো পৃথিবীর চেয়ে আয়তনে ছােট । বৃহস্পতির আয়তন পৃথিবীর ১,৫০০ গুণের কিছু বেশী । অর্থাৎ , বৃহস্পতির মধ্যে ১,৫০০ টিরও বেশী পৃথিবীর স্থান হতে পারে।

🔲 [ ৭ ] সূর্য থেকে পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহগুলাের দূরত্বের তারতম্যের ফলাফল : সূর্যই গ্রহগুলাের তাপের উৎস । তাই যে গ্রহ সূর্য থেকে যত দূরে অবস্থিত , সে সূর্যের তাপ ততই কম পায় । বৃহস্পতি থেকে দুটো পর্যন্ত গ্রহগুলাে সূর্য থেকে এত দূরে অবস্থিত যে , তাপের অভাবে ঐ গ্রহগুলােতে জল ব্রফ হয়ে আছে এবং বায়ু তরল অবস্থায় রয়েছে । ফলে গ্রহগুলাে প্রাণী – বাসের অযােগ্য হয়ে পড়েছে । অন্যদিকে বুধ ও শুক্র সূর্যের এত কাছে রয়েছে যে , সূর্যের দারুণ উত্তাপে সেখানেও প্রাণীর জন্য সম্ভব হয়নি । একমাত্র পৃথিবী সূর্য থেকে এমন এক দূরত্বে অবস্থান করছে যে , এখানে খুব গরমও নয় আবার খুব ঠাণ্ডাও নয় । ফলে পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে — মানুষের বসবাস সম্ভব হয়েছে । পৃথিবী থেকে আরও কিছু দূরে রয়েছে ।মঙ্গল গ্রহ । অনেকে মনে করেন যে মঙ্গল গ্রহে প্রাণ থাকলেও থাকতে পারে । তবে এখানকার বায়ুর অল্প অক্সিজেন , কম ঘনত্ব প্রভৃতি নানা অসুবিধার সঙ্গে লড়াই করে সত্যিই কোন জীবজগৎ গড়ে উঠেছে কিনা , তা বিজ্ঞানীরা এখনও ঠিক করে বলতে সক্ষম হননি ।

পৃথিবীর আকৃতি ও আয়তন :

📚 [ ২ ] পৃথিবীর আকৃতি

📚 [ ক ] পৃথিবীর গােলাকৃতির প্রত্যক্ষ প্রমাণ

[ মহাকাশ থেকে দেখা পৃথিবীর গােলাকার আকৃতি ]

🔲 পৃথিবীর আকৃতি কিরকম — এ নিয়ে বহুদিন থেকেই বিজ্ঞানীরা নানা জল্পনা – কল্পনা করে আসছিলেন । কেউ বলতেন পৃথিবী সমতল , কেউ বলতেন পৃথিবী গােল । এই নানা আকৃতির স্বপক্ষে নানা যুক্তিও তারা রেখেছিলেন সত্যি , কিন্তু এগুলাে বাস্তবক্ষেত্রে পরীক্ষা করে মেনে নেবার কোন উপায় ছিল না । কারণ পৃথিবীতে বসে পৃথিবীর আকৃতি সম্বন্ধে সঠিক ধারণা করা ছিল বিশেষ অসুবিধাজনক । পৃথিবীকে যদি পৃথিবীর বাইরে গিয়ে মহাকাশ থেকে দেখা বা ছবি তােলা । সম্ভব হত , তবেই সব মুশকিলের অবসান হত । মহাকাশ ও চাঁদে সফল অভিযানের ফলে এদিক থেকে বিশেষভাবে লাভবান হয়েছি আমরা ।

🔲 পৃথিবীর সর্বপ্রথম সফল মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন ১৯৬১ সালের ১২ ই এপ্রিল শ্পুটনিকে । চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণের সময় দেখেন যে , পৃথিবীকে দেখতে গােলাকার বটে , তবে তা । অনেকটা পেয়ারার মত । এছাড়া তার ভােলা পৃথিবীর ছবিও দেখতে গােলাকৃতি ও মণ্ডলাকার ।

🔲 এরপর ১৯৬৯ খ্রীষ্টাব্দের ২১ শে জুলাই মানুষ সর্বপ্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠে নামতে সক্ষম হয় । চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ঐদিন পৃথিবীর দুই মহাকাশচারী নীল আর্মস্ট্রং ও এডউইন অ্যালড্রিন ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০০ কিলােমিটার দূর থেকে ঘাের কালাে মহাকাশের পটভূমিতে পৃথিবীকে দেখেন — পৃথিবীকে সেখান থেকে দেখতে লাগছিল সাদা ও ফিকে নীল রঙের একটা মণ্ডলের মতন । তবে আকৃতিতে তা পৃথিবী থেকে দেখা চাঁদের আকৃতির চেয়ে অনেক বড় ( আসলে চাঁদ পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ ছােট বলে পৃথিবী থেকে চাদকে যত ছােট দেখায় । সমদূরত্বে চাদ থেকে পৃথিবীকে স্বাভাবিকভাবেই অনেক বড় দেখায় ; ৫ পৃষ্ঠার ৪ নং ছবিটি দেখ ) ।

🔲 এরপর বিশ্বের প্রথম মহিলা মহাকাশচারী ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা এবং প্রথম ভারতীয় মহাকাশচারী রাকেশ শর্মা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর একই রকম গােলীয় আকৃতি দেখেন ।

🔘 এইসব মহাকাশচারীরা পৃথিবীর বহু দূর থেকে পৃথিবীর ছবি এত সুন্দরভাবে তুলতে সক্ষম হয়েছেন যে , বর্তমানে পৃথিবীর গােলাকার আকৃতি সম্পর্কে আর কোন সন্দেহই নেই ।

◼️ পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি : মহাকাশচারীদের মতে , পৃথিবীর আকৃতি ফুটবলের মত নিটোল গােলাকার নয় । পৃথিবীর মাঝখানটা গােলাকার হলেও এর দুই প্রান্ত অনেকটা আপেল বা ন্যাসপাতির মত চ্যাপ্টা । অর্থাৎ পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি হল অনেকটা অভিগত গােলােকের মত ।

🔲 পৃথিবীর এই বিশিষ্ট আকৃতিটি আমাদের পরিচিত কোন বস্তুর সঙ্গে সঠিকভাবে তুলনীয় নয় , তাই বলা হয় যে , পৃথিবীর আকৃতি পৃথিবীর মতই ( Geoid or Earth Shaped ) ।

📔 মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে সাদা ও নীল রঙের দেখায় কেন ?

🔲 গােলাকার পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে । বায়ুমণ্ডলের চাদর । এই বায়ুমণ্ডলের মেঘে । সূর্যের আলাে পড়ে ঝকঝক করে ।

🔲 পৃথিবীর বাইরে থেকে বরফে ঢাকা পার্বত্য অঞ্চলগুলাে এবং সুমেরু ও কুমেরু প্রদেশ দুটিতে সূর্যের আলাে পড়ে ঝকঝকে সাদা দেখায় ।

🔲 পৃথিবীর বনভূমি অঞ্চল নীলাভ সবুজ রঙের , কৃষিক্ষেত্র এবং তৃণভূমিগুলােকে ফিকে হলুদ রঙের এবং মরুভূমি অঞ্চলগুলােকে রক্তাভ হলুদ রঙের দেখায় ।

🔲 যেহেতু পৃথিবীর বেশীরভাগ অংশই ( ৩ ভাগের ২ ভাগ জল ) সমুদ্রের জলে ঢাকা , তাই পৃথিবীর বাইরে থেকে পৃথিবীর বেশীর ভাগ অংশকেই নীল রঙের দেখায় । এইজন্য পৃথিবীকে নীল গ্রহ ( Blue Planet ) বলা হয় ।

Related posts:

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের জীবন কথা
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী : 2024
চন্দ্রযান-3 : চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী প্রথম দেশ ভারত
GENERAL STUDIES : TEST-2
GENERAL STUDIES : 1
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: 8ই সেপ্টেম্বর
'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
তপনের জীবনে তার ছোটো মাসির অবদান আলোচনা করো।
সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝ ?
আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝায় ? এটি কয়প্রকার ও কী কী ?
একটি সাদা কাগজকে কীভাবে তুমি অস্বচ্ছ অথবা ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যমে পরিণত করবে ?
ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অস্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অপ্রভ বস্তুও কি আলোর উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে?
বিন্দু আলোক - উৎস কীভাবে পাওয়া যেতে পারে ?
বিন্দু আলোক - উৎস ও বিস্তৃত আলোক - উৎস কী ?
অপ্রভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বপ্নভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
দিনেরবেলা আমরা ঘরের ভিতর সবকিছু দেখতে পাই , কিন্তু রাত্রিবেলা আলোর অনুপস্থিতিতে কোনো জিনিসই দেখতে পা...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page