দিল্লি সুলতানি ( 1206-1526 খ্রিষ্টাব্দ )

💠 দিল্লি সুলতানি ( 1206-1526 খ্রিষ্টাব্দ ) :

◼️ মামলুক বংশ বা ইলবারী তুর্কী বংশ ( 1206-1526 খ্রিষ্টাব্দ ) :

◼️ কুতুবউদ্দিন আইবক ( 1206-1210 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹মহম্মদ ঘােরীর জয় করা ভারতীয় অংশের দায়িত্বে ছিলেন তার প্রাক্তন ক্রীতদাস কুতুবউদ্দিন আইবক । ঘােরীর মৃত্যুর ( 1206 খ্রিষ্টাব্দ ) পর আইবক মধ্য এশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে পৃথক দিল্লি সুলতানির সূত্রপাত ঘটান । একদিকে অত্যন্ত নিষ্ঠুর হলেও দানশীলতার জন্য কুতুবউদ্দিনকে বলা হত লাখবকশ‌্ ।

🔹1210 সালে চৌগা বা পােলাে খেলার সময় আহত হয়ে আইবক মারা যান । কুতুবউদ্দিনের প্রতিষ্ঠিত বংশ ইতিহাসে মামলুক বা দাস বংশ হিসেবে পরিচিত ।


◼️ ইলতুৎমিস ( 1210-36 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹কুতুব‌উদ্দিনের পর সুলতান হন ইলতুৎমিস , তিনিও পূর্বে ক্রীতদাস ছিলেন । ইলতুৎমিস উত্তর ভারতের উল্লেখযােগ্য অংশ জয় করেন এবং কেন্দ্রীভূত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন । 1229 সালে বাগদাদের খলিফার কাছ থেকেও ইলতুৎমিস স্বীকৃতি ( investiture ) লাভ করেন । তাঁর আমলেই প্রথম মােঙ্গল আক্রমণ ঘটে , যা পাঞ্জাবের মধ্যেই সীমিত রাখতে সক্ষম হন ইলতুৎমিস ।

🔹সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামাে , সৈন্যবাহিনী , রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা ( ইকতা ব্যবস্থা ) ইত্যাদি ইলতুৎমিসের সময়ই গড়ে ওঠে । সুলতানি আমলের দু’টি প্রধান মুদ্রা – রূপার টাকা বা ‘ টাঙ্কা ’ এবং তামার ‘ জিতল ’ ইলতুৎমিসই চালু করেন । কুতুব‌উদ্দিনের আমলে শুরু হলেও দিল্লির কুতুব মিনারের নির্মাণকার্য ইলতুৎমিসের আমলেই সমাপ্ত হয় ।

◼️ রাজিয়া ( 1236-39 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹ইলতুৎমিসের পর মসনদে বসেন তাঁর কন্যা রাজিয়া । নিঃসন্দেহে ইলতুৎমিসের সন্তানদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে যােগ্য , কিন্তু মহিলা হওয়ার জন্য রাজিয়াকে বহু বিরােধিতার সম্মুখীন হতে হয় । বিদ্রোহী অভিজাতদের অন্যতম নেতা আলতুনিয়াকে
রাজিয়া বিবাহ করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি | আলতুনিয়া ও রাজিয়া উভয়েই বিদ্রোহীদের হাতে নিহত হন ।

🔹মধ্যযুগে দিল্লির মসনদে রাজিয়াই ছিলেন একমাত্র মহিলা শাসক ।

◼️ বলবন ( 1265-85 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹ইলতুৎমিসের দুর্বল উত্তরাধিকারীদের আমলে সাম্রাজ্যের যে ক্ষতি হয় , তা বহুলাংশে পুনরুদ্ধার করেন গিয়াসউদ্দিন বলবন । বিভিন্ন অঞ্চল পুনরুদ্ধার ছাড়াও বলবনকে মােঙ্গলদের কঠিন আক্রমণের প্রতিরােধ করতে হয় । বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমন করে , সৈন্যবাহিনীকে শক্তিশালী করে এবং প্রশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বলবন সুলতানি সাম্রাজ্যকে শক্তিশালী করে তােলেন ।

🔹বলবন ‘ চাহালগানি ‘ নামে পরিচিত ক্রীতদাসদের ক্ষমতা বিনষ্ট করে সুলতানকে ক্ষমতার একমাত্র কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তােলেন । এবং বিভিন্ন আদবকায়দা ও আভিজাত্যপূর্ণ আচার – আচরণের মাধ্যমে সুলতানের পদটিকে বিশেষ মহিমায় ভূষিত করেন । প্রসিদ্ধ ফার্সি কবি আমির খসরু তার রাজসভায় ছিলেন ।

◼️ খলজিবংশ ( 1290-1320 খ্রিষ্টাব্দ ) :

◼️ জালালউদ্দিন খলজি ( 1296-1296 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹বলবনের দুর্বল উত্তরাধিকারীদের সরিয়ে ক্ষমতায় আসেন জালালউদ্দিন খলজি । তাঁর আমলে সাম্রাজ্যকে স্থিতিশীল করে সাম্রাজ্য থেকে বেরিয়ে যাওয়া অঞ্চলগুলি পুনর্বিজয়ের কাজ শুরু হয় ।

◼️ আলাউদ্দিন খলজি ( 1296-1316 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹জালালউদ্দিনের পরে ক্ষমতায় আসেন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র , উচ্চকাঙ্ক্ষী আলাউদ্দিন । জালালউদ্দিনের রাজত্বের সময় থেকে শুরু করে পঁচিশ বছরের মধ্যে আলাউদ্দিন মালব ও গুজরাট জয় করেন এবং চিতাের – সহ অধিকাংশ রাজপুত রাজ্য তাঁর বশ্যতা স্বীকার করে ।

🔹দিল্লির সুলতানদের মধ্যে আলাউদ্দিনই প্রথম দাক্ষিণাত্য জয়ে উদ্যোগী হন । আলাউদ্দিনের বিখ্যাত সেনাপতি মালিক কাফুর আলাউদ্দিনের তরফে দক্ষিণে মাদুরাই পর্যন্ত জয় করেন । কাফুরের হাতে দেবগিরির যাদবরা , ওয়ারাঙ্গলের কাকতীয়রা , দ্বারসমুদ্রের হােয়সলরা পরাজিত হয় । পরাজিত রাজাদের আনুগত্য স্বীকারের বদলে রাজ্য ফিরিয়ে দিলেও কাফুর বিশাল পরিমাণ ধনসম্পদ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি ও মন্দির থেকে নিয়ে যান ।

🔹আলাউদ্দিন অন্তত তিনবার মােসল হানা প্রতিহত করেন । আলাউদ্দিনের সামরিক সাফল্য অনেকাংশেই ছিল তাঁর কঠোর শৃঙ্খলার কারণ । শুধু একটি বিরাট স্থায়ী সৈন্যবাহিনী বজায় রাখা নয় , গুণগত মান রক্ষার জন্য আলাউদ্দিন ‘ দাগ ’ ( ঘােড়ার গায়ে ‘ দাগ ’ বা ছাপ লাগানাে ) এবং ‘ চেহেরা ’ ( প্রতিটি সৈন্যের বিবরণ নথিবদ্ধ রাখার ) ব্যবস্থা চালু করেন । মূলত সৈন্যবাহিনীর সুবিধার্থে তিনি বিক্রয়যােগ্য জিনিসপত্রের দাম বেঁধে দিল । বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন । আলেকজান্ডারের মতাে আলাউদ্দিনও দিগ্বিজয়ের বাসনা পােষণ করতেন । তার কিছু কিছু মুদ্রায় ‘ সিকান্দার সানি ‘ বা ‘ দ্বিতীয় আলেকজান্ডার ‘ উপাধি মুদ্রিত ।

🔹তাছাড়া মূলত রাষ্ট্রের উপার্জন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই আলাউদ্দিন রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন । সমস্ত জমি জরিপ করা হয় , নতুনভাবে রাজস্ব ধার্য করা হয় , রাজস্ব হার বাড়িয়ে এক – তৃতীয়াংশ থেকে উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক করা হয় এবং নিয়মিত রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা করা হয় । কুতবী মসজিদের সামনে নির্মিত আলাই দরওয়াজা সুলতানের স্থাপত্য শিল্পের প্রতি অনুরাগের নিদর্শন ।

◼️ তুঘলক বংশ ( 1320-1414 খ্রিষ্টাব্দ ) :

◼️ গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ( 1320-1325 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹আলাউদ্দিনের মৃত্যুর পরে যে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় , তার অবসান ঘটিয়ে গিয়াসউদ্দিন তুঘলক সিংহাসন দখল করেন । গিয়াসউদ্দিনের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল । তিনি বাংলা , উড়িষ্যার পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতেও অভিযান চালিয়েছিলেন , কিন্তু তিনি আলাউদ্দিনের মতাে কঠোর প্রশাসক ছিলেন না । তাঁর দুর্বলতার কারণে প্রশাসন শিথিল হয়ে পড়ে , কর হার হ্রাস করায় এবং কর সংগ্রহে শিথিলতার কারণে রাষ্ট্রের আয় কমে যায় ও সুলতানের কর্তৃত্ব হ্রাস পায় ।

◼️ মহম্মদ – বিন – তুঘলক ( 1325-1351 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹ভারতের ইতিহাসে মহম্মদ – বিন – তুঘলক তাঁর খামখেয়ালি নীতি ও অবাস্তব পরিকল্পনার জন খ্যাত । তবে তাঁর আমলেই দিল্লি সুলতানির ক্ষমতা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায় । মধ্য এশিয়া জয়ের জন্য তিনি একটি বিরাট সৈন্যদল গঠন করেন ; তাদের বেতন দিতে রাজকোষ নিঃস্ব হয়ে যায় । কিন্তু শেষপর্যন্ত তিনি এই সেনাদল ভেঙে দেন । কর বাড়ালে দোয়াবের কৃষকরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যান । প্রথমে নির্যাতন চালানােয় পরে সুলতান কৃষকদের মদত করতে চাইলেও কেউ এগিয়ে আসেনি ।

🔹মহম্মদ – বিন – তুঘলক সবচেয়ে চর্চিত ব্যর্থতার মধ্যে দু’টি হল — দিল্লি থেকে রাজধানী দৌলতাবাদে স্থানান্তকরণ ( দৌলতাবাদে জলের অসুবিধে ইত্যাদির কারণে অল্প সময়ের মধ্যে আবার রাজধানী দিল্লিতে ফিরিয়ে আনতে হয় , এতে বহু মানুষ মারা যায় ও সুলতান জনসমর্থন হারান ) এবং রৌপ্যমুদ্রার বদলে তামা ও পেতলের মুদ্রা চালু করা , যার মূল্য রৌপ্যমুদ্রার সমান হবে । পরিকল্পনাটি অত্যন্ত মৌলিক হলেও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় , সারা দেশ জাল মুদ্রায় ছেয়ে যায় এবং চূড়ান্ত আর্থিক বিশৃঙ্খলা দেখা যায় ।

🔹একের পর এক নীতি পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে থাকলে প্রশাসনের ওপর থেকে সুলতানের নিয়ন্ত্রণ কমে যায় । সুলতান জনসমর্থন হারান এবং অভিজাত ও উলেমা শ্রেণি শক্তিশালী হয়ে ওঠে । দূরবর্তী অঞ্চলগুলি ( দাক্ষিণাত্যে বিশেষ করে , যেখানে বিজয়নগর ও বাহমনি রাজ্য এই সময় প্রতিষ্ঠিত হয় ) ক্রমে স্বাধীন হয়ে যায় ।

🔹মহম্মদ – বিন তুঘলকের রাজত্বকালেই আফ্রিকার মরক্কো থেকে ভারতে আসেন বিখ্যাত পর্যটক ইবন বতুতা ।

◼️ ফিরােজ শাহ তুঘলক ( 1351-1358 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹ফিরােজ তুঘলক ছিলেন সামরিক দিক থেকে দুর্বল এবং উলেমাকে শাসনকার্যে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার ফলে এই সময় রাষ্ট্রব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে । বেশ কয়েকটি সামরিক অভিযান চালালেও তাঁর সাফল্য ছিল সীমিত — বাংলা – সহ বিভিন্ন প্রদেশ স্বাধীন হয়ে যায় । সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলায় শিথিলতা , অভিজাতদের চিরস্থায়ীভাবে জমিদান , প্রশাসনিক দুর্বলতা ইত্যাদির কারণে রাষ্ট্রের ক্ষমতা দ্রুত কমে যায় ।

🔹ফিরােজ তুঘলক ইসলামিক রাষ্ট্র স্থাপনের আদর্শে বিভিন্ন কর ( যা শরিয়তে নেই ) তুলে দেন এবং কোরানের নির্দেশ অনুসারে চার প্রকার কর ; খারাজ বা ভূমি কর , খাসম বা লুণ্ঠিত দ্রব্যের অর্ধাংশ , জিজিয়া বা অমুসলমানদের ওপর ধার্য কর এবং জাকাৎ বা দান বহাল করেন । দেশের অভ্যন্তরে অবাধ বাণিজ্যের জন্য ফিরােজ শাহ ‘ চুঙ্গী কর ’ও বাতিল করেন । তবে ব্রাহ্মণদের ওপরে জিজিয়া আরােপ , এক ব্রাহ্মণকে পুড়িয়ে মারা ও মন্দির ধ্বংসের ফলে হিন্দুদের সমর্থন হারান ।

🔹ফিরােজের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ বিশেষ উল্লেখযােগ্য — প্রচুর ভূমিদান ছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি শহরের পত্তন করেন ( ফিরােজপুর , ফিরােজাবাদ , হিসার – ফিরুজা , জৌনপুর ইত্যাদি ) এবং দিল্লির আশপাশে কৃষির উন্নতিকল্পে খাল কেটে বিস্তৃত সেচ ব্যবস্থা গড়ে তােলেন ।

🔹ফিরােজ – এর দুর্বল উত্তরাধিকারীদের সময়ে রাষ্ট্রের ক্ষমতা আরও সংকুচিত হয় এবং 1398 সালে মধ্য এশিয়ার সমরখন্দের অধিপতি তৈমুরলঙের দিল্লি লুণ্ঠনে দিল্লি সুলতানির গৌরব অস্তমিত হয় । সে সময় দিল্লির সিংহাসনে আসীন ছিলেন তুঘলক বংশের শেষ সুলতান নাসিরুদ্দিন মামুদ শাহ ।

◼️ সৈয়দ বংশ ( 1414-1451 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹তৈমুরলঙের আক্রমণের পরবর্তী বিশৃঙ্খলার মধ্যে খিজ‌্‌র খান দিল্লির সুলতান হন ( 1414-21 সাল ) । সৈয়দ বংশের স্বল্পস্থায়ী রাজত্বে সুলতানি দিল্লির আশেপাশেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল ।

◼️ লােদি বংশ ( 145-1526 খ্রিষ্টাব্দ ) :

◼️ বাহলুল লােদি ( 1451-1489 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹আফগান অভিজাতদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা বাহলুল লােদি সৈয়দদের সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেন । বাহলুলের আমলে সুলতানির সীমানা বৃদ্ধির পুনঃপ্রয়াস চালানাে হয় । এই সময়ের সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য সাফল্য জৌনপুরের শার্কি সুলতানদের পরাজিত করে জৌনপুর – কে সাম্রাজ্যভুক্ত করা ।

◼️ সিকান্দর লোদি ( 1489-1517 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹শ্রেষ্ঠ লােদি সুলতান , সিকান্দরের সময়ে সমগ্র গঙ্গা অববাহিকা ( বাংলার পশ্চিমাংশ পর্যন্ত ) পুনরায় সুলতানির করায়ত্ত হয় । আফগান গােষ্ঠীপতিদের মধ্যে সুলতানের পৃথক বিশেষ মর্যাদা ছিল না , কিন্তু সিকান্দর শুধু তাদের ঐক্যবদ্ধই রাখেননি , তাদের উপযুক্ত নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে যথেষ্ট সামরিক সাফল্য অর্জন করেছিলেন ।

🔹সিকান্দর 1506 সালে তাঁর স্থাপন করা নতুন শহর আগ্রায় রাজধানী সরিয়ে নিয়ে যান । তাঁর চালু করা পরিমাপ একক ‘ গজ ই – সিকান্দরি ’ – ও বহুদিন উপমহাদেশে ব্যবহৃত হত ।

◼️ ইব্রাহিম লােদি ( 1517-1526 খ্রিষ্টাব্দ ) :

🔹আফগান উপজাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি বাহলুল ও সিকান্দর উভয়েই শ্রদ্ধাশীল ছিলেন । কিন্তু ইব্রাহিম লােদি আফগান গােষ্ঠীপতিদের ওপর সুলতানের একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করার চেষ্টা করলে অভিজাতরা তাঁর বিরােধিতা করে । মেওয়ারের রাণা সঙ্গের হাতে ইব্রাহিম পরাজিত হন । এরপর 1526 সালে প্রাণিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের হাতে তাঁর পরাজয় ঘটলে দিল্লি সুলতানির অবসান ঘটে । উল্লেখ্য বাবরকে দিল্লি আক্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ইব্রাহিমের আত্মীয় , পাঞ্জাবের শাসনকর্তা দৌলত খান লােদি ।

🔹মহম্মদ – বিন – তুঘলকের আমলে বাংলা ছাড়া বাকি দুটি আঞ্চলিক শক্তির উত্থান ঘটে দক্ষিণ ভারতে । এর মধ্যে একটি বাহমনি রাজ্য ও অন্যটি বিজয়নগর সাম্রাজ্য ।

Related posts:

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের জীবন কথা
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী : 2024
চন্দ্রযান-3 : চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী প্রথম দেশ ভারত
GENERAL STUDIES : TEST-2
GENERAL STUDIES : 1
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: 8ই সেপ্টেম্বর
'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
তপনের জীবনে তার ছোটো মাসির অবদান আলোচনা করো।
সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝ ?
আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝায় ? এটি কয়প্রকার ও কী কী ?
একটি সাদা কাগজকে কীভাবে তুমি অস্বচ্ছ অথবা ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যমে পরিণত করবে ?
ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অস্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অপ্রভ বস্তুও কি আলোর উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে?
বিন্দু আলোক - উৎস কীভাবে পাওয়া যেতে পারে ?
বিন্দু আলোক - উৎস ও বিস্তৃত আলোক - উৎস কী ?
অপ্রভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বপ্নভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
দিনেরবেলা আমরা ঘরের ভিতর সবকিছু দেখতে পাই , কিন্তু রাত্রিবেলা আলোর অনুপস্থিতিতে কোনো জিনিসই দেখতে পা...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page