ভূতের গল্প : রাত বারোটা

রাত বারােটা । ঝনঝন করে টেলিফোন বাজল । টেলিফোন আছে আমার শােওয়াব ঘরে । পাশের ঘরে আমার মা । বাড়িতে আর তৃতীয় কোনও প্রাণী নেই । কেন নেই ? সে অনেক কথা । ওসব শুনে কাজ নেই ।

ফোনটা ছন্দে ছন্দে বাজছে ।

প্যাচানাে সিঁড়ি নীচে নেমে গেছে । অন্ধকার চোরের মতাে ঘাপটি মেরে বসেছিল ! আলাে জ্বালতেই ছিটকে পালাল । দোতলা থেকে একতলায় নামতে বেশ ভয় করছিল । আমি তেমন সাহসী নই । রাত এগারােটা পর্যন্ত আমার ভয় করে না । তারপরেই গা ছমছম । হঠাৎ কোনও দিকে তাকালেই মনে হয় , কেউ ছিল সরে গেল । যত রাত বাড়ে তত ভয় বাড়ে । একদিন শুতে যাওয়ার আগে দাড়ি কামাবার জন্যে আয়নার সামনে দাঁড়িয়েছিলুম । পরের দিন খুব ভােরে বেরােতে হবে , তাই কাজটা এগিয়ে রাখতে চেয়েছিলুম । আয়নায় সাবানের ফেনা মাখা আমার মুখ , আর দেখি কী , আমার কাঁধের পাশ দিয়ে উঁকি মারছে আর একটা মুখ । ঝাপসা থেকে স্পষ্ট হচ্ছে , স্পষ্ট থেকে ঝাপসা । এইরকম হতেই লাগল , হতেই লাগল । শুধু একটা মুখ । আমি ভয়ে কাঠ হয়ে গেলুম । চিৎকার করে মাকে ডাকতে চাইলুম । গলা দিয়ে কোনও স্বর বেরােল না । সেদিন আমি মরেই যেতুম যদি না আমার মা নিজের থেকে আসতেন । সঙ্গে সঙ্গে মুখটা অদৃশ্য হয়ে গেল । আমি তখন কুলকুল করে ঘামছি । ভয়ে মুখটা সাদা । সাবান মেখে আছি বলে বােঝা গেল না । টিকটিকির মতাে থ্যাস করে মাটিতে পড়ে অজ্ঞান । চোখ মেলে তখন । তাকালুম , দেখি কী , ডক্টর বসাক আমার ই . সি . জি করছেন ।

রাত্তিরবেলা , সেই থেকে আমি আয়নার সামনে দাঁড়াইনা । কী দরকার বাবা , ঝামেলা করে । মাকে যখন বললুম ব্যাপারটা কী হয়েছিল , “ হার্টে কিছু হয়নি , আমার পেছনে কেউ এসে দাঁড়িয়েছিল , আয়নায় আমি তার মুখ দেখেছিলুম । ”

মা খুব সাহসী । এক কথায় উড়িয়ে দিলেন , বললেন , “ জানবি পেটটাই সব , মুড়ি আর ভুড়ি । পেট থেকেই সব আসে । অত ঘুগনি , ফুচকা , আলুর চপ খেলে , ভুত , প্রেত , দৈত্য দানাে সবই দর্শন হবে । দিনকতক শুধু লাউ খাওয়াব , কঁচা দুধ দিয়ে সুক্তো । ”

আলাে – আঁধারি সিঁড়ি দিয়ে নামছি নীচে । দোতলার আলাের আভায় যতটুকু দেখা যায় । আগে নীচে একটা পনেরাে পাওয়ারের আলাে সারারাত জুলত । পর পর দু মাস হাজার টাকার বিল আসায় আলাে এখন অন্ধকার ।

নিস্তব্ধ মাঝরাতে ফোনের শব্দ বিরক্তিকর । নিশ্চয় রং নম্বর । তুলতেই হবে , তা না হলে বাজনা থামবে না । বৈঠকখানার আলােটা জ্বালতেই অন্ধকার সব হুটোপুটি করে ফার্নিচারের তলায় তলায় ঢুকে গেল । টেলিফোন যন্ত্রটাকে খুব উজ্জ্বল দেখাচ্ছে । যখন বাজছে , মনে হচ্ছে কাপছে ।

রিসিভার তুলে বললুম , “ হ্যালাে । ”

ওপাশে কিচ করে একটা শব্দ হল । বরফের মতাে ঠাণ্ডা একটা বাতাস যেন ভেসে এল এপাশে । এমন অবৈজ্ঞানিক ব্যাপার কেন ঘটবে , বুঝতে পারছি না । টেলিফোন শব্দতরঙ্গ আসবে , বাতাস কেন আসবে ! টেলিফোন কি ব্লোয়ার ।

যাই হােক , এই বার বেশ বিরক্তির গলায় বললুম , “ হ্যালাে । ”

ওপাশে কাঠের চোয়াল নাড়ার মতাে একটা শব্দ হল ।

আবার বললুম , “ হ্যালাে । ”

ভেসে এল অস্বাভাবিক একটা গলা , উচ্চারণ পরিষ্কার , কিন্তু শব্দটা অস্বাভাবিক , “ কে অমল ! ”

“ অমল বলছি । আপনি কে ? ”

“ আমি প্রকাশ ? ”

“ কে প্রকাশ ? ”

“ প্ৰকাশ গাঙ্গুলি । ”

– আর একটু হলেই আমার হাত থেকে রিসিভারটা পড়ে যেত ।

“ প্ৰকাশ গাঙ্গুলি মানে ? ইয়ার্কি হচ্ছে মাঝরাতে । প্ৰকাশ গাঙ্গুলি ফিরােদাবাদ রেল অ্যাসিডেন্টে মারা গেছে এই কদিন আগে । ”

ধীর , শান্ত উত্তর , “ জানি । সবাই জানে । ডেড বডি আমিও দেখেছি । অনেকক্ষণ পাহারা দিয়েছি , একা বসে বসে । তারপর সবাই এল । সনাক্ত করল । পােস্টমর্টেম হল । ডেথ সার্টিফিকেট নিল , নিমতলায় দাহ হল । সবাই জানে , এ আর নতুন কথা কী ! আমার মৃত্যু সংবাদ আমি জানব না । ”

“ মরা মানুষ ফোনে কথা বলে , এমন কথা আমি শুনিনি । এসব বদমাইশি । মানুষকে ভয় দেখানাে । মারা গেলে মানুষের আর কিছু থাকে না । সে আবার টেলিফোন করবে কী করে ।”

ওপার থেকে একটা হাসির শব্দ ভেসে এল । একঝলক ঠাণ্ডা বাতাস । হাসির পরেই কণ্ঠস্বর । মনে হচ্ছে , কেউ যেন ইস্পাতের নলের ভেতর দিয়ে কথা বলছে , “ তাের কোনও ধারণা নেই অমল । মৃত্যুর পর মানুষের আর কোনও বাধা থাকে না । যা খুশি তাই করা যায় । এখনই আমি তাের সামনে গিয়ে দাঁড়াতে পারি , কিন্তু তুই ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যাবি । প্রাণের বন্ধু ছিলুম , তবুও তুই ভয় পাবি । আমার নাম শুনেই তুই কাঁপছিস । সামনে গিয়ে দাঁড়ালে কী হবে তাের ভালই জানা আছে । ”

” তুই কার ফোনে কথা বলছিস ? ”

“ পৃথিবীর সব ফোন এখন আমার । সব রেডিয়াে , টিভি স্টেশন এখন আমার । তাের রেডিয়ােতে কলকাতা ক ধর , আমার গলা শুনতে পাবি । ”

“ তাের ওখানে এখন দিন না রাত ? ”

“ তােরা আলাে আর কালাে ছাড়া কিছু জানিস না । এ ছাড়াও একটা কিছু আছে । এখানে না এলে বােঝা যাবে না । থাক , কাজের কথাটা বলে নিই । ডানকুনিতে আমার বড়দি থাকে । ”

” জানি , তুই আর আমি অনেকবার তার বাড়িতে গেছি । ”

“ বেশ , এই বার শােন , তােকে একটা কাজ করতে হবে । দিদি আমাকে একটা হার দিয়েছিল । বলেছিল , বউবাজারে বিক্রি করে যা পাওয়া যাবে , সেই টাকাটা তাকে দিয়ে আসতে । তারা একটু অর্থকষ্টে আছে । হারটা আমি বিক্রি করে পাঁচহাজার টাকা পেয়েছিলুম । টাকাটা আমি দিয়ে আসতে পারিনি , তােকে সেই কাজটা করতে হবে । ”

“ অত টাকা আমি পাব কোথায় ! ”

‘ বলছি , বলছি , সব বলছি । একটু ধৈর্য ধর । টাকাটা তােকে চুরি করতে হবে । ”

“ কোথা থেকে চুরি করব । আমি চোর নাকি ? ”

“ ব্যস্ত হােস না । মন দিয়ে শােন । আমাদের বাড়িতে যাবি । দেখবি সবাই শােকে কেমন যেন হয়ে আছে । তুই একটু সান্ত্বনা টান্ত্বনা দিবি । দিতে দিতে বলবি , মাসিমা প্রকাশের কাছে আমার একটা ক্যাসেট ছিল । শােনার জন্যে নিয়েছিল । সেটা আমি আবার আর – একজনের কাছ থেকে চেয়ে এনেছিলুম । সে চাইছে । ক্যাসেটের র‍্যাকটা একবার দেখব । যে -র‍্যাকে ক্যাসেট থাকে , সেখানে যাবি । ডান দিক থেকে যােলাে নম্বর ক্যাসেটটা টেনে বের করবি । দেখবি , খাপ আছে , ক্যাসেটা নেই । পকেটে ভরে ফেলবি । ওদের সামনে খুলবি না । সােজা চলে আসবি বাড়িতে । এইবার খুলবি । দেখবি , দশটা পাঁচশাে টাকার নোট ভাজ করা । এইবার দ্বিতীয় কাজ , ডানকুনিতে গিয়ে দিদির হাতে দেওয়া । বন্ধু হিসেবে এই কাজটা তােকে করতেই হবে । একটাই কথা , আমার বাড়ির কেউ যেন না জানতে পারে । “

“ যদি ক্যাসেটে কিছু না থাকে । ”

“ থাকবেই । কেবল গুনতে ভুল করিস না ডান দিক থেকে ষােলাে । ক্যাসেটের ইন লে কার্ডটা আছে । মেহেদি হাসান । ঝট করে একবার দেখে নিয়ে পকেটে ভরবি । ”

“ তােকে জানাব কী করে ? ” “ আমি জানতে পারব । তবে , দুদিন মাত্র সময় , কারণ , আমি ক্রমশই পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছি । এখন , আমি , যে – বৃত্তে আছি , সেখানে তােদের হাব্ -ল টেলিস্কোপটা ঘুরছে । ”

কট্‌ করে একটা শব্দ হল , টেলিফোন নীরব । আমার , মাথা ঘুরছে । মুখে কোনও সাড়া নেই , এত ঠাণ্ডা । ক্রায়াে সার্জারির টেম্পারেচার । এক কাপ চা , এক কাপ গরম দুধ । যা হয় একটা কিছু পেলে বেশ হত । প্রকাশের কথা ভেবে চোখে জল আসছে , কিন্তু ঝরছে না , কারণ আমার চোখ মুখ মাইনাস সাতশাে ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে নেমে গেছে । কোনও রকমে টলতে টলতে নিজের ঘরে ফিরে এলুম । শরীর কাপছে । শীতে না ভয়ে বুঝতে পারছি না । টেবিল ল্যাম্পটা জ্বেলে , বাল্‌বটা মুখের কাছে ধরে রইলুম । বেশ কিছুক্ষণ । অদ্ভুত একটা কাণ্ড হল , হঠাৎ দু ঝলক জল বেরিয়ে এল দুটো চোখ থেকে । বালবটা চিড়িক করে ফেটে গেল ।

দুই ।

। সকাল দশটা । প্রকাশদের তালতলার বাড়িতে ঢুকছি । কেন জানি না , কেবলই মনে হচ্ছে , আমি একটা চোর । উলটো দিকের ফুটপাথ থেকে একটা কিশােরকণ্ঠ ভেসে এল , “ অমলকাকু । ”

চমকে তাকালুম । অচেনা একটা বালক দাঁড়িয়ে আছে । হঠাৎ দেখি সে নেই । কী হল ! সাতসকালেই এমন চোখের ভুল । স্বপ্ন দেখছি নাকি ?

দোতলায় সকলের গলা পাচ্ছি । প্রকাশের মায়ের সঙ্গেই প্রথমে দেখা হল । মাসিমা আর আগের মতো নেই । থাকা সম্ভবও নয় । আমার হাত দুটো ধরে খানিক কাঁদলেন । আমার চোখেও জল এল । ঘরে গিয়ে বসলুম । এ – কথা , সে কথার পর আসল কথাটা বললুম , ‘ মাসিমা , প্রকাশকে একটা ক্যাসেট দিয়েছিলুম শুনতে , সেটা আমি আবার এনেছিলুম অন্য আর – একজনের কাছ থেকে । ওর ক্যাসেটের র্যাকটা একবার দেখব ! ”

“ হ্যাঁ দ্যাখাে না । তুমি তাে এ – বাডির সই জানাে । ”

যে তাকে ক্যাসেট সাজানাে থাকে সেখানে গেলুম । প্রকাশ গান শুনতে খুব ভালবাসত । পর পর সব সাজানাে ডান দিক থেকে যােলাে নম্বর । একটু আড়াল করে দাঁড়িয়েছি । ভয় করছে , যদি কেউ পাশে এসেদাঁড়ায় । সময়টা আমি ভালই নির্বাচন করেছি । প্রকাশের দাদা অফিসে বেরিয়ে গেছেন । বােন স্কুলে । ওর ফিরতে ফিরতে এগারােটা ।

গুনছি , এক দুই . . . . । হঠাৎ একটা ক্যাসেট আপনিই খানিকটা বেরিয়ে এল । গুণে দেখলুম , সেইটাই যােলাে । শরীরটা শিরশির করে উঠল । তার মানে , প্রকাশ আমার পাশেই আছে । মনে হল , মাসিমাকে একবার বলি , প্রকাশ এই ঘরেই আছে , আপনি দেখতে পাচ্ছেন না । বেরিয়ে আসা খাপটা ধরতে ভয় করছে । অশরীরীর আঙুলে যদি আঙুল ঠেকে যায় ।

– খাপটা হালকা ঝট করে দেখে নিলুম , মেহেদি হাসান । সােজা পকেটে ।

মাসিমা জিজ্ঞেস করলেন , “ পেলে বাবা ! ”

“ পেয়েছি । ”

“ গান খুব ভালবাসত , খুব ভালবাসত গান । ” বলতে বলতে কেঁদে ফেললেন ।

আমারও গলার কাছটা দলা পাকাচ্ছে । কোনও রকমে বলতে পারলুম ‘ আসছি মাসিমা । ”

সিঁড়ি দিয়ে নামছি , কোথায় বেশ জোর গলায় একটা টিকটিকি শব্দ করল , টিক টিক । অর্থটা বুঝতে পারলুম , বলতে চাইছে ঠিক ঠিক ।

কোথাও কোনও সময় নষ্ট না করে সােজা বাড়িতে । ভয়ঙ্কর একটা উদ্বেগ । ভেতরে । টাকাটা আছে তাে ! সিঁড়িতে উঠতে উঠতে খাপটা খুললুম । আছে , ভাজ করা পাঁচশাে টাকার নােট । দশটাই আছে ।

দমবন্ধ করে ছিলুম । শ্বাস নিতে পারলুম ।

এইবার দ্বিতীয় নির্দেশ । ডানকুনি যেতে হবে । আমার খাটের ওপর তাজকের কাগজটা পড়ে আছে । এখানে তাে থাকার কথা নয় । কাগজটা সকালে পড়ে নীচের ঘরেই । রেখেছিলুম ! স্পষ্ট মনে আছে ! পড়ার পর কাগজ আমি এলােমেলাে করে রাখি না । দেখছি , পাঁচের পাতাটা ঘুরিয়ে ওপর দিকে এনে ভঁজ করা । আর যে সংবাদ সবার আগে চোখে পড়ছে , সেটা হল , গণধােলাইয়ে পকেটমারের মৃত্যু ।

বুঝে গেলুম , এর পেছনে প্রকাশের হাত । পকেটমার সম্পর্কে সচেতন করতে চাইছে । আমি একটু অন্যমনস্ক ধরনের ছেলে । গাছ , পাতা , পাখি , হাট , বাজার , মেলা দেখে বিভাের হয়ে যাই । তাই ডানকুনি যাওয়ার আগে সাবধান করে দিল ।

বড়দির বাড়িতে যখন পৌছলাম বেলা তিনটে । আমাকে দেখে ভূত দেখার মতাে অবাক , “ তুই হঠাৎ ! ”

“ এই টাকাটা , প্রকাশ আমার কাছে রেখেছিল , আপনাকে দেওয়ার জন্যে । ”

“ প্রকাশ ! তাের কাছে ! ” এর বেশি আর কিছু বলতে পারলেন না , কঁদতে লাগলেন ।

“ টাকাটা আজই আমার খুব দরকার । তাের দাদা হাসপাতালে । কাল অপারেশন । ”

গয়নাটা কবে দিয়েছিলেন , টাকাটা কবে পেলেন , আমার কাছে কদিন ছিল , এসব প্রশ্ন এলে খুব বিপদ হত । কোন উত্তর আমার জানা ছিল না ।

“ দিদি , আমার খুব কাজ আছে । আবার আসব । ”

আমি প্রায় পালিয়েই এলুম । ট্রেনে উঠছি । অচেনা এক ভদ্রলােক পেছন থেকে আমার পিঠে হাত রেখে বললেন , “ ধন্যবাদ ! ”

চমকে ফিরে তাকালুম । কেউ নেই । আজ ঠিক রাত বারােটা । জেগে বসে আছি । টেলিফোন বাজবে কি !

Related posts:

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের জীবন কথা
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী : 2024
চন্দ্রযান-3 : চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী প্রথম দেশ ভারত
GENERAL STUDIES : TEST-2
GENERAL STUDIES : 1
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: 8ই সেপ্টেম্বর
'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
তপনের জীবনে তার ছোটো মাসির অবদান আলোচনা করো।
সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝ ?
আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝায় ? এটি কয়প্রকার ও কী কী ?
একটি সাদা কাগজকে কীভাবে তুমি অস্বচ্ছ অথবা ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যমে পরিণত করবে ?
ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অস্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অপ্রভ বস্তুও কি আলোর উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে?
বিন্দু আলোক - উৎস কীভাবে পাওয়া যেতে পারে ?
বিন্দু আলোক - উৎস ও বিস্তৃত আলোক - উৎস কী ?
অপ্রভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বপ্নভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
দিনেরবেলা আমরা ঘরের ভিতর সবকিছু দেখতে পাই , কিন্তু রাত্রিবেলা আলোর অনুপস্থিতিতে কোনো জিনিসই দেখতে পা...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page