মিশরীয় লিখন/লিপি/দর্শন/বিজ্ঞান

💠 লিখন ও লিপি পদ্ধতি :

● মিশরীয়রা প্রথম লিখন ও লিপি পদ্ধতি আবিস্কার করে । এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল হায়ারােগ্লিফিক ( Hieroglyphic ) বা চিত্র লিখন পদ্ধতি ।

● খােদাই কাজ করা বা চিত্রে প্রদর্শন করা- এই পদ্ধতির ২৫ টি বর্ণ ছিল এবং প্রতিটি বর্ণ একটি বিশেষ চিহ্ন বা অর্থ প্রকাশ করতাে ।

● এই প্রথম মানব জাতি ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবনে সক্ষম হয় ।


■ দর্শন ও বিজ্ঞান :

● আধুনিক সভ্যতা অনেকটা প্রাচীন মিশরীয় দর্শন ও বিজ্ঞানের নিকট দায়বদ্ধ । সে যুগে অশেষ জ্ঞানচর্চার সূত্রপাত হয় ।

● প্রাচীন মিশরে কারিগরি বিদ্যার প্রসার লাভ করেছিল । ব্রোঞ্জ ব্যবহারের ফলে নানা প্রকার অস্ত্র ও যন্ত্র আবিস্কার হয় ।

● মিশরীয়রা গণিত শাস্ত্র ও জ্যোতির্বিদ্যায় বিশেষ পারদর্শি ছিল । তারা নিকটবর্তী নক্ষত্রদের পর্যবেক্ষণ করার কৌশল ও আয়ত্ব করেছিল । তারা নীলনদের জোয়ার – ভাটা নির্ণয় করে এবং এ সম্বন্ধীয় সম্যক জ্ঞান আয়ত্ত্ব করে ।

● মিশরীয় বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম জ্যামিতি ও গণিত শাস্ত্রের উদ্ভাবন করেন । তারা যােগ – বিয়ােগের ব্যবহার জানলেও গুণ ও ভাগ করতে জানতাে না ।

● মধ্য রাজবংশের যুগ থেকে মিশরীয়গণ চিকিৎসা বিজ্ঞানে দক্ষতা অর্জন করেন । মিশরে চক্ষু , দন্ত ও পেটের পীড়া রােগের চিকিৎসা আবিষ্কারে সক্ষম হয় । তারা বিভিন্ন রােগ ও ওষুধের নাম লিপিবদ্ধ করে এবং সেটিরিয়া মেডিকা নামক ওষুধের তালিকা প্রণয়ন করেন ।

● মৃতদেহকে অক্ষত রাখার জন্য মিশরীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা একধরনের ঔষুধ আবিষ্কার করেছিল ।


■ পিরামিড :

● প্রাচীন মিশরীয় শিল্পকলা ও স্থাপত্যের আশ্চর্য নিদর্শন ‘ পিরামিড ‘ । পাথর দিয়ে তৈরী ত্রিকোনাকার পিরামিড আজও মিশরের কায়রে শহরে মিশরীয় সভ্যতার ইতিহাস বহন করছে ।

● এ সকল পিরামিডের অভ্যন্তরে মিশরের রাজা এবং সম্রান্ত লােকদের মৃতদেহ ( মমি ) করে রাখা হয়েছে ।

● লক্ষাধিক পাথরকে টুকরাে করে নিখুঁতভাবে জোড়া দিয়ে এই পিরামিড তৈরী করা হতাে এবং এক একটা পিরামিড চার থেকে পাঁচশ ফুট উচু ছিল । এ থেকে সহজেই অনুমান করা যায় মিশরীয়দের বিজ্ঞান ও কারিগরি কৌশল কতটা উন্নত ছিল ।

Related posts:

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের জীবন কথা
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী : 2024
চন্দ্রযান-3 : চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী প্রথম দেশ ভারত
GENERAL STUDIES : TEST-2
GENERAL STUDIES : 1
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স: 8ই সেপ্টেম্বর
'জ্ঞানচক্ষু' গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
তপনের জীবনে তার ছোটো মাসির অবদান আলোচনা করো।
সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝ ?
আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝায় ? এটি কয়প্রকার ও কী কী ?
একটি সাদা কাগজকে কীভাবে তুমি অস্বচ্ছ অথবা ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যমে পরিণত করবে ?
ঈষৎ স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অস্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বচ্ছ মাধ্যম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
অপ্রভ বস্তুও কি আলোর উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে?
বিন্দু আলোক - উৎস কীভাবে পাওয়া যেতে পারে ?
বিন্দু আলোক - উৎস ও বিস্তৃত আলোক - উৎস কী ?
অপ্রভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
স্বপ্নভ বস্তু কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
দিনেরবেলা আমরা ঘরের ভিতর সবকিছু দেখতে পাই , কিন্তু রাত্রিবেলা আলোর অনুপস্থিতিতে কোনো জিনিসই দেখতে পা...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page